ব্রেকিং নিউজ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবেদন

বরাবর                                                                                               তাংঃ ২৭.১০.২০২০ইং

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

পুরাতন সংসদ ভবন, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

বিষয়ঃ চট্টগ্রামের, রাংগুনীয়া উপজেলার সাধারন জনগন ও ভদন্ত শরণংকর মহাথের’র জ্ঞানশরণ মহারণ্য বৌদ্ধ বিহারে্র উপর অমানবিক নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ভদন্ত শরণংকর মহাথেরকে মহারন্য বৌদ্ধ বিহারে ফিরে যাবার সুযোগ করে দেবার জন্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে বিনীত আবেদন।  

মহোদয়া,

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নে গড়া বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রুপান্তর করতে আপনার অবদান অনস্বীকার্য। জননী জন্মভূমি স্বর্গাদপি গরিয়শী। মাগো তুমি অসহায়ের সহায়, অনাথের নাথ, আশ্রয়হীনের শেষ আশ্রয়স্থল বলে উপায়ান্তর না দেখে তোমার এই ছেলে তোমার স্মরনাপন্ন হতে বাধ্য হলো।

২০০৪ সনে বৌদ্ধ ভিক্ষু হয়ে বিভিন্ন শশ্মানে ধ্যান সমাধি করতে করতে ২০১১ সনে চট্টগ্রামের, রাঙ্গুনিয়ার, পদুয়া ইউনিয়নের ফলাহারিয়া গ্রামে জ্ঞানশরণ মহারণ্য বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করি যা ফলাহারিয়া গ্রাম থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দুরে গভীর বনের মধ্যে।  দেশে বিদেশে আমার মৈত্রীর বানী ছড়িয়ে পড়লে লোকে লোকারন্য হতে থাকে আমাকে ঘিরে। লোকে দান দিতে থাকে যা আমি গ্রহন ও করি – দান পেয়ে ভাবতে থাকি কি করি সে অর্থ-বিত্ত দিয়ে – সে ভাবনায় মাগো তোমাকে দেখি – তোমার স্বপনের কথা ভাবি – দেখি রাঙ্গুনিয়ার যেখানে আমি বিহার করেছি তার আশে-পাশে তেমন কোন স্কুল নেই অতএব প্রাপ্য দানীয় অর্থ সম্পদ দিয়ে জনগনের জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা করি, আশ্রম প্রতিষ্ঠা করি। জনগনকে কখন ও উপহার সামগ্রী, কখনো হাজার টাকার গাছ লাগিয়ে বনায়ন করে, কখন ও উপদেশ দিয়ে সাহায্য করতে থাকি। আপনার সোনার বাংলা গড়তে অংশ নিতে পেরে খুব খুশী মনে কাজ করে যেতে থাকি। জনকল্যানমূলক কাজের মাধ্যমে ধীরে ধীরে জনগনের হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান করার অবকাশ পেতে থাকি – ধীরে ধীরে রাঙ্গুনিয়ার মানুষ আমাকে মোঃ এরশাদ মাহমুদ, পিতাঃ নুরুছাপা তালুকদার (গ্রামঃ সুখবিলাস, উত্তর পদুয়া, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম ) কতৃক বিভিন্নভাবে নির্যাতিত বলে জানাতে থাকে, জানাতে থাকে তার বিভিন্ন অপকর্মের কথা, যেমনঃ –চাদাবাজী, অবৈধভাবে সরকারী ও মানুষের জমি ও ব্যবসা দখল, সরকারী শীলক খালের বালু উত্তোলন করে বিক্রি, বনের গাছ কেটে বিক্রি ইত্যাদি। সে সমস্ত অপকর্মের বিরুদ্ধে তাকে বোঝাতে গিয়ে ব্যর্থ হলে প্রতিবাদ করলে হয়ে পড়ি তাদের চক্ষুশুল।    

এ ধরনের অত্যাচার আর নিপিড়নের কোন কুল কিনারা না পেয়ে সবার শেষ আশ্রয় স্থল জননেত্রী আপনাকে অবহিত করার উদ্দেশ্যে ৯ই জুলাই ফেইসবুকে লাইভে এসে সাধ্যমতো বিষয়গুলো তুলে ধরার প্রচেষ্টা চা্লাই। এতে প্রস্তাব এলো, ভিডিওটি ডিলিট করে দেবার জন্য এবং রাজী না হলে তারা শুরু করে বিভিন্ন ধরনের প্রহসন – প্রানের ভয়ে চলে এলাম রাঙ্গুনিয়ার বাইরে রাউজান কাঠাল্ভাংগার কুলের বিহারে। তাদের ১ম প্রহসন ছিলো – রিমন রিমু নামে একটা ফেইক ফেইসবুক একাউন্ট খুলে তাতে আমার ছবি ব্যবহার করে ইসলামকে অবমাননা জনক কথা বার্তা লিখে তা প্রকাশ করে বেড়ালো আমি করেছি বলে। সাথে সাথে ফেইসবুক লাইভে এসে বিবৃতি দিয়েছি যে সেই ফেইক ফেইসবুক একাউন্টটি আমার নয় উপরন্তু ডিজিটাল সিকিউরিটী এক্টে মামলা করে দোষির বিচার দাবী করেছি। তবু ও এরশাদ থামলেন না সাক্ষ্য প্রমান ছাড়াই তার বেতনভুক্ত কর্মচারী টিটু বড়ুয়া, বিপুল বড়ুয়া সহ তার ভাই হাসান মাহামুদের অনুগ্রাহী স্বজন তালুকদার, বিশেষ করে হাকিম উদ্দিন ও অন্যনাদের নিয়ে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করলেন আমার বিরুদ্ধে আমার পরম হিতৈষি রাঙ্গুনিয়ার মুসলিম ভাই-বোনদের। লোকজন ভাড়া করে করলেন মানব বান্ধনের নাটক কিন্তু সেই মানব বন্ধনে জনাব এরশাদ মাহামুদ তার পাজেরো গাড়িতে করে এসে যে তা পরিচালনা করছিলেন তাও ফেইসবুকের কল্যানে ভিডিও সহ প্রকাশিত হয়ে গেলো ইতিমধ্যে এবং আমি আপনার সাথে দেখা করার প্রত্যাশায় চলে এলাম ঢাকায় এবং সে সময় মাননীয় তথ্য মন্ত্রী তার বাস ভবনে আমার দাবী-দাওয়া নিয়ে হাজীর হতে অনুরোধ করলেন। যখন লিখতে বসলাম জনতার দাবিসমুহ, নীরিহ জনগনের দাবী, জমি ফিরিয়ে দেবার দাবী, ব্যবসা ফিরিয়ে দেবার দাবী, সরকারি জায়গা আত্নসাত না করার দাবী ইত্যাদি; তখন জনগনের কিছু শুভাকাংখী আমাকে অনুরোধ করলেন শর্ত হিসেবে জ্ঞানশরন বিহারের জন্য যাতে সরকার কিছু জমি বরাদ্ধ দেয় যেখানে ভবিষ্যতে দায়কদের দেয়া দানে গড়ে তুলতে পারি জনগনের জন্য হাসপাতাল ও অন্যান্য – যা সহায়ক হবে সোনার বাংলা গড়ে তুলতে –  মনে হলো যুক্তি সংগত অতএব  একশ একর জমি বরাদ্ধের কথা ও লিখলাম – তখন ও বুঝিনি সেটা ছিলো চক্রান্ত – এই একশ একর জমির কথা বলে পরের দিন থেকে এরশাদের দল মিথ্যা প্রচারনা করা শুরু করলো যে আমি জমি পাবার জন্য এসব তাল- বাহানা করছি, ভাগ্যো ভালো, জনগন আগের থেকে অনেক সচেতন বলে তাদের এই প্রহসন গুলো টিকছিলো না এবং তারা ও করে যাচ্ছিলো এক্টার পর একটা নুতন প্রহসন যেমন অপবাদ দিলো আমি হিন্দুদের শশ্মান ও মন্দির দখল করেছি বলে যাতে আমার সাথে হিন্দুদের ও বিরোধ সৃষ্টি হয় – তাতে ও তারা ব্যর্থ হলো – পরিশেষ সংযুক্তিতে এ সব কিছুর প্রমানপত্র তুলে ধরা হয়েছে। আমার কিছু শুভাকাংক্ষী বিভিন্ন সময় মানব বন্ধন করতে চেয়ে ও কোন অনুমতি পায়নি অথচ এরশাদের পক্ষে তারা মানব বন্ধন করে যাচ্ছে পুলিশের প্রহরায়। এরশাদ মাহমুদের প্ররোচনায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা করা হয়। ১০-১৫ জনের নামে অজ্ঞাত নামা রয়েছে। রাঙ্গুনিয়া বিহারে ও আশ্রমে তারা বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়াতে বর্তমানে কোমল মতি শিশুরা মানবেতর জীবন যাপন করছে – বিগত চার মাস ধরে আমি সেখানে ফিরে যেতে চাইলে ও আমাকে বিভিন্ন ভাবে জোর খাটিয়ে বন্ধী করে রেখেছে কমলাপুর ঢাকা ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহারে। আজ আমি নিরূপায় হয়ে আপনাকে এ চিঠি লিখছি যাতে আপনার হস্তক্ষেপে আমি রাঙ্গুনিয়ার সে বনে গড়ে উঠা মানুষের কাছে ফিরে গিয়ে তাদের কল্যানে নিজের বাকীটা জীবন উৎসর্গ করতে পারি এবং ধ্যান সমাধি করে নিজে ও নির্বান লাভে সমর্থ হয়ে পরম সুখ লাভ করতে পারি। আমার আরো আশা ছিলো আপনি নেপালে আপনার নিজস্ব অর্থায়নে যে মনোরম বৌদ্ধবিহার করতে চাইছেন ঠিক সে রকম একটা আমি নিজে যেন এই বাংলাদেশে রাঙ্গুনিয়ায়ায় আপনাকে উপহার দিতে পারি আপনার নামে যা আপনার করুনা ছাড়া কোনভাবেই সম্ভব নয়।

তথ্য প্রমান সংযুক্তিঃ

ক) বর্তমানে রাঙ্গুনিয়ায় অবৈধভাবে জায়গা দখল, নির্যাতন ও নিপীড়নের তালিকা

খ) পূলিশ প্রহরায় তাদের মানব বন্ধন এবং আমাদের মানব্বন্ধন পুলিশ কতৃক বন্ধ করে দেবার তথ্যচিত্র এবং ভিডিও প্রমানের লিঙ্ক

গ) বিনা নোটিশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ভীডিও প্রমান পত্র

ঘ)  মানব বন্ধনে জনাব এরশাদ মাহামুদ তার পাজেরো গাড়িতে করে এসে যে তা পরিচালনা করছিলেন তার ভিডিও লিঙ্ক

ঙ) হিন্দু শস্মান ও মন্দির যে আমি দখল করিনি তার প্রমান পত্র

চ) রাঙ্গুনিয়ায় তাদের প্ররোচনায় মুসলিমদের কবরস্থান দখলের নিউজ ৭১ টিভিতে তার লিঙ্ক

ছ) বৌদ্ধ কল্যান ট্রাষ্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রানালয়ের অফিশিয়াল প্যাড ব্যবহার করে হঠকারীতার আশ্রয় নিয়ে যেমন করে বিবৃতি দিয়েছেন যেন সরকার আমার বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছেন যাতে সরকারের ভাব মূর্তি নষ্ট হলো, তিনটি বৌদ্ধ সংঘঠনের নাম ব্যবহার করে তিনটি বৌদ্ধ সংঘঠনের ভাব মুর্তি নষ্ট করা হয়েছে তার প্রমান পত্র

ঝ) প্রতিষ্ঠিত স্কুলের তথ্য চিত্র ও ভিডিও লিঙ্ক

ঞ) দুই একরের মতো জায়গার দলিলাদি/প্রমান পত্র

ট) রিমন রিমু নামে একটা ফেইক ফেইসবুক একাউন্ট সংক্রান্ত তথ্যাবলী।

ঠ) তথ্য মন্ত্রীর কাছে পেশকৃত স্মারকলিপির কপি উনার সুপারিশসমেত

 ক) রাঙ্গুনিয়ায় অবৈধভাবে জায়গা দখল, নির্যাতন ও নিপীড়নের তালিকা—-

১)        ১৫ জুন ২০১৪ সালে শিলক গ্রামের অনিল কান্তি বড়ুয়া’র স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন (মারধর) করে কাগজি বাড়িঘর জবরদস্তি সহকারে দখল করেন স্থানীয় ৯নং শিলকের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদারের পরিবার। (স্ত্রীঃ রনজিনা বড়ুয়া; ছেলেঃ অরুণজয় বড়ুয়া, সুজয় বড়ুয়া; গ্রামঃ পূর্ব শিলক, পোঃ শিলক, থানাঃ রাংগুনীয়া)

২)       ২৯ জুলাই ২০১৪ সালে দশমাইল গ্রামে অমলেন্দু বড়ুয়া, শিমুল বড়ুয়া’র জায়গা সহ উক্ত গ্রামে ১৫ বৌদ্ধ পরিবারকে উচ্ছেদ। (পতিাঃ ননী বড়ুয়া; মাতাঃ মনি বালা বড়ুয়া; গ্রামঃ দশমাইল, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

৩)       ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে দশমাইল গ্রামে বিশুদ্ধানন্দ-জ্যোতিপাল বৌদ্ধ বিহার ভাঙ্গচুর ও উচ্ছেদ। (স্থাপিতঃ ২০১৬; গ্রামঃ দশমাইল, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

৪)       ২০১৬ সালে রাজারহাট গ্রামের প্রয়াত ড. সানু বড়ুয়ার জায়গা বালি ভরাট করে অবৈধভাবে দখল। (স্ত্রীঃ অশ্রু বড়ুয়া, ছেলেঃ অভি বড়ুয়া, মেয়েঃ ববি বড়ুয়া, গ্রামঃ রাজারহাট, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

৫)       ২৬ আগষ্ট ২০১৯ সালে রাজারহাট গ্রামের শত বছরের স্থায়ী প্রয়াত সুখেন্দু বড়ুয়া সওদাগরের দোকান দখল। (ছেলেঃ তপন বড়ুয়া, পবন বড়ুয়া, নিরুপম বড়ুয়া, গ্রামঃ রাজারহাট, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

৬)       ১৯ এপ্রিল ২০২০ সালে রাজারহাট গ্রামের পরিমল বড়ুয়া’র (মাস্টার) জায়গা দখল।

(ছেলেঃ সুমেধ বড়ুয়া, গ্রামঃ রাজারহাট, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

৭)       ২০১৬ সালে রাজারহাট গ্রামের প্রদীপ বড়ুয়া, দীলিপ কুমার বড়ুয়া, মিলন বড়ুয়া, প্রসেনজিত বড়ুয়া’র জায়গা দখল। (গ্রামঃ রাজারহাট, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

৮)       ০৩ এপ্রিল ২০০৯ সালে সুখবিলাস গ্রামের বাবু মিলন দে’র বাড়ি ও জায়গা দখল। (গ্রামঃ রাজারহাট, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

৯)       ২০১৬ সালে নির্মাণাধীন জ্ঞানশরণ মহারণ্য বৌদ্ধ বিহার স্তম্ভ (পিলার) নির্মাণকাজ চলাকালীন সময় মোঃ এরশাদ মাহমুদ উক্ত বিহারের আবাসিক শিষ্য দিপংকর ভিক্ষুকে গলাধাক্কা ও নির্মাণকারী মিস্ত্রীকে মারধর করেন। (স্থাপিতঃ ২০১৬;  গ্রামঃ ভগবানপুর, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

১০)     ২০১৯ সালে ফলাহারিয়া গ্রামের রনজিত বড়ুয়াসহ পাঁচ বৌদ্ধ পরিবাররে জায়গা উচ্ছেদের হুমকি। (ছেলেঃ জগদিশ বড়ুয়া;  গ্রামঃ ফলাহারিয়া, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

১১)      ০৯ই জুলাই ২০২০ জ্ঞানশরণ মহারণ্য বৌদ্ধ বিহারে নির্মাণাধীন বুদ্ধ প্রতিকৃতি ভাংচুর ও বিহারে অধ্যক্ষ এবং অবস্থানরত ভিক্ষুদের অশালীন আচরণ করেন। (স্থাপিতঃ ২০১২; গ্রামঃ ফলাহারিয়া, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

১২)     সুখবিলাস শিলক নদীর পার্শবর্তী বৌদ্ধদের ১ একর জায়গা জ্ঞানশরণ মহারণ্য বৌদ্ধ বিহারের নামে দান করেন। সে দানকৃত জায়গায় উক্ত শিলক নদী হতে বালি উত্তোলনের জন্য জোরপূর্বক দখল করে আছেন। (গ্রামঃ সুখবিলাস, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

১৩) ২০১৮ ইং তে ৩০টি পরিবারের উপর অত্যাচারের কাহিনি ডেইলি ষ্টার পত্রিকায়

খ) পূলিশ প্রহরায় তাদের মানব বন্ধন এবং আমাদের মানব্বন্ধন পুলিশ কতৃক বন্ধ করে দেবার তথ্যচিত্র

গ) বিনা নোটিশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ভীডিও প্রমান পত্রঃ ১২ জুলাই ২০২০ উপরোক্ত সমস্যাকে কেন্দ্র করে জ্ঞানশরণ মহারণ্য বৌদ্ধ বিহারে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হয়। জ্ঞানশরণ বৌদ্ধ মন্দিরের বিদ্যুৎ লাইনের বৈধ ফাইল সংযুক্ত করে দেয়া হল। (বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়ঃ ২০১৭ ডিসেম্বর মাসে;  গ্রামঃ ফলাহারিয়া, পোঃ পদুয়া, থানাঃ রাংগুনীয়া)

বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করার ভিডিও লিঙ্কঃ

ঘ)  মানব বন্ধনে জনাব এরশাদ মাহামুদ তার পাজেরো গাড়িতে করে এসে যে তা পরিচালনা করছিলেন তার ভিডিও লিঙ্ক https://youtu.be/189Q3uBHxoo

https://youtu.be/8fM5C1P1MhE https://www.facebook.com/shukla.barua.9862/videos/640410536616895/

ঙ) হিন্দু শস্মান ও মন্দির যে আমি দখল করিনি তার প্রমান পত্রঃ

১)সুশীল সমাজের সাক্ষ্য প্রমানের ভিডিও লিংকঃ https://youtu.be/zlje6AJtZDw

২) বাংলাদেশ মাইনোরিটী ওয়াচের  ভিডিও লিঙ্কhttps://youtu.be/As5RGAFAa4I

৩) বাংলাদেশ মাইনোরিটী ওয়াচের রিপোর্টঃ

চ) রাঙ্গুনিয়ায় তাদের প্ররোচনায় মুসলিমদের কবরস্থান দখলের নিউজ ৭১ টিভিতে তার লিঙ্কঃ https://youtu.be/KMIGlde6hGE

ছ) বৌদ্ধ কল্যান ট্রাষ্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রানালয়ের অফিশিয়াল প্যাড ব্যবহার করে হঠকারীতার আশ্রয় নিয়ে যেমন করে বিবৃতি দিয়েছেন যেন সরকার আমার বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছেন যাতে সরকারের ভাব মূর্তি নষ্ট হলো, তিনটি বৌদ্ধ সংঘঠনের নাম ব্যবহার করে তিনটি বৌদ্ধ সংঘঠনের ভাব মুর্তি নষ্ট করা হয়েছে তার প্রমান পত্রঃ  তথ্য সম্বলিত বাবু স্নেহাশীষ প্রিয় বড়ুয়া লিখেছেনঃ ৫ বাংলাদেশি বৌদ্ধ নামে কলঙ্কদের বিবৃতি – সরকারের ভাব মুর্তি নষ্ট করছে যারা- বৌদ্ধদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙ্গিয়ে খাচ্ছে যারা। নিজেদের মুরোদ নেই বিহার, অনাথ আশ্রম কিংবা স্কুল করে দেবার তাই যিনি করেছেন তার পিছু নিয়েছে এই ৫ অসভ্যের দল। অমানুষ।

ভদন্ত বুদ্ধপ্রিয় মহাথের লিখেছেন উনার ফেইসবুক আইডিতে যে,

“আজকে বাংলাদেশের বিভিন্ন বহুল প্রচারিত সংবাদ পত্রে ভূমি দখল ও পাহাড় কাটার সমালোচনায় বৌদ্ধ নেতারা এতদসংক্রান্ত ও অন্যান্য শিরোনামে যে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে তা সঠিক নয় এবং ওই সংবাদ বিকৃতভাবে পরিবেশন করা হয়েছে”

সত্য ভাষনের জন্য ভান্তেকে ধন্যবাদ – এবার দেখা যাক উনাদের বিবৃতি কি ছিলো? লক্ষনীয় জায়গাগুলো পড়ছি

“চট্টগ্রাম জেলার রাংগুনীয়া থানাধীন পদুয়া ইউনিয়নের ফলাহারিয়া গ্রামের অনতিদূরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বনবিভাগের কোন প্রকার পূর্ব অনুমোদন ছাড়া ২০১২ সালে জ্ঞানশরন মহারন্যে বুদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।“

ভাবতে পারিনা আপনারা এ রকম ডাহা মিথ্যা কথা বলতে পারেন – আপনারা খুব ভালো করে জানেন, যে জায়গার মধ্যে জ্ঞানশরন মহারন্য বুদ্ধ বিহার তার মধ্যে ২ একর ক্রয়কৃত জায়গা শরনংকর ভান্তের দায়কেরা শরনংকর ভান্তেকে দান করেছেন – যা বনবিভাগের জায়গা নয় – তাহলে কি দাড়ালো – ভঙ্গ করলেন – মুসাবাদা বেরমনি শীলটি জনসমক্ষে এর পরে ও কি আপনাদের ২২৭ শীলে মানায়? শুধু এই একটি শীল ভঙ্গ নয় পুর্বে আপনাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে কিন্তু বাংলাদেরশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় অসহায় নিরিহ বলে আপনাদের তেমন কিছু বলে নাই সে সুযোগে আপনারা যা ইচ্ছা তাই করা কি ঠিক হবে বীনিতভাবে জানতে চাইছি।

তারপর আরো বলেছেন

“প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বন বিভাগ বিভিন্ন সময় বাঁধা প্রদান করে পরবর্তী সময়ে সাম্প্রদায়িক বিভেদের কারনে একটি পক্ষ বন বিভাগকে উক্ত বিষয়টি অভিযোগ করেন।এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বনবিভাগ সেখানে ৯ই জুলাই ২০২০ ইং তারিখে নির্মাণ কাজ স্হগিত করে এবং রাংগুনীয়া থানা ও চট্টগ্রাম কোর্টে বিষয়টি কেন্দ্র করে শরণংকর ভিক্ষুর বিরুদ্ধে ৮টির মত মামলা দায়ের করে ও পরবর্তীতে এক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার উদ্ভব হয়।“

আবার ও মিথ্যাচার – বলেছেন “সাম্প্রদায়িক বিভেদের কারনে একটি পক্ষ বন বিভাগকে উক্ত বিষয়টি অভিযোগ করেন।“ -কেউ প্রমান করতে পারবেন ৯ ই জুলাইয়ের আগে কোন সম্প্রদায় ভান্তের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেছে? আর কোন ও সম্প্রদায়ের যদি অভিযোগ করার থাকে তবে তা বন বিভাগের কাছে কেন করবে? ভেবে দেখুন মিথ্যাটা ও ঠিক মতো বলতে পারেন না আপনারা।

তারপর আরো বলেছেন

“গত ১১ই আগষ্ট ২০২০ ইং তারিখে রাংগুনীয়ার স্থানীয় এমপি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড.হাছান মাহমুদ এমপি’র সহয়াতা চেয়ে মন্ত্রীর বাসভবনে একটি পরামর্শমূলক বৈঠক করা হয়। সে বৈঠকে আমাদের তিন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ভদন্ত বুদ্ধপ্রিয় মহাথের’, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি ঢাকা অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক স্বপন বড়ুয়া চৌধুরী ছাড়া ও আমাদের আমন্ত্রণে উপস্থিত ছিলেন সদ্ধর্ম হিতৈষী বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কৃতি সন্তান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া। এ ছাড়া শরনংকর ভিক্ষুর অনুগামী হয়ে এ বৈঠকে যোগদান করেছিলেন ব্যারিষ্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।“

আপনাদের লেখায় আপনারাই প্রমান করে দিলেন আপনারা শরনংকর ভান্তের পক্ষে ছিলেন না কারন আপনারা নিজেরাই আপনাদের বক্ত্যবে পরিস্কার বলেছেন “শরনংকর ভিক্ষুর অনুগামী হয়ে এ বৈঠকে যোগদান করেছিলেন ব্যারিষ্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।“ এও বলেছেন আপনারা যে, আপনাদের “আমন্ত্রণে উপস্থিত ছিলেন সদ্ধর্ম হিতৈষী বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কৃতি সন্তান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া।“ – কিন্তু দুখের বিষয় বিগত দিনে আপনারা নিজেরাই বিবৃতি দিয়েছিলেন ফেইসবুকে অসংখ্যবার এই যে সে মিটিং হয়েছিলো জনাব বিপ্লব বাবুর উদ্যোগে – প্রশ্ন আপনাদের কাছে – আপনাদের কোন বক্তব্যটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা কারন দুটো বক্তব্য আপনাদেরি দেয়া – শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না সে প্রবাদটি নিশ্চই আপনাদের জানা আছে।

তারপরে আরো বলেছেন,

“১৬ টি দাবি সংযুক্ত করা হয়। যে আবেদন পত্রে মাননীয় তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ এমপি পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে ভূমি বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেন। সেই সাথে প্রবারণা পূর্ণিমা (১অক্টোবর ২০২০)প্রাক্কালে শরণংকর ভিক্ষুকে ফলাহারিয়া পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্হা করার মৌখিক প্রতিশ্রুতি ও দেন মাননীয় তথ্যমন্ত্রী মহোদয়। এ সময় মন্ত্রী মহোদয়কে ফলাহারিয়া যাওয়ার অনুরোধ করা হলে তিনি ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে সাথে নিয়ে ফলাহারিয়ায় সম্প্রীতি সমাবেশ আয়োজনের সম্মতি জ্ঞাপন করেন এবং মৈত্রী পূর্ণ পরিবেশে এই বৈঠক শেষ হয়। কিন্তু, ইতোমধ্যে কিছু অতি উৎসাহী ব্যক্তিবর্গ বিশেষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য উক্ত বৈঠক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা কাল্পনিক কথা ও উস্কানিমূলক বক্তব্য ছড়িয়ে দেন। এরই প্রতিক্রিয়ায় বৌদ্ধ সমাজে পক্ষ-বিপক্ষ সৃষ্টি হয়। যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। ক্রমে এই ভেদাভেদ ও তথ্য বিকৃতি দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে ও বিস্তার লাভ করে।তথ্য বিকৃতি, উস্কানিমূলক বক্তব্য,ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বিদেশে ভার্চুয়াল মিটিং করা হয়। উক্ত মিটিং এ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ নেতা চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান মাননীয় তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ এমপি ও তার পরিবার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী আমাদের বৌদ্ধদের অহংকার ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে নিয়ে বিষেদাগার করা হয়। এমনকি পরম পূজনীয় বৌদ্ধ ভিক্ষুদের সম্পর্কে কুৎসা রটনা করা হয়।“

আপনারা খুব ভালো করে জানেন ১১ ই অগাষ্টের পর শরনংকর ভান্তের পক্ষ থেকে সমস্ত ধরনের মিটিং মিছিল বন্ধ ছিল কিন্তু পক্ষান্তরে শর্ত ভঙ্গ কোরে ঠিক পরের দিন ই হাসান মাহমুদের ভাই এরশাদ মাহমুদের প্ররোচনায় ক্রমাগত দানব বন্ধন করতে থাকে শরনংকর ভান্তের বিরুদ্ধে এবং আপনারা পিছনে বসে হাত তালি দিচ্ছিলেন এবং অবশেষে ১লা অক্টোবর মন্ত্রী হাসান মাহমুদ তার দেয়া কথা ও রাখলেন না করলেন না ফলাহারিয়ায় সম্প্রীতি সমাবেশের আয়োজন যেমনটি কথা ছিলো যা বিপ্লব বাবু ভান্তেকে ফোনে জানিয়েছিলেন। এর পরে ভান্তে শুধু তার বক্ত্যবে এই কথাটা তুলে ধরেছেন। আমার জানা মতে এ অবধি শরনংকর ভান্তের পক্ষ হয়ে কেউ কোনভাবে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী কে কোথাও হেনস্তা করে কিছু বলেনি। হা আমি বাঁ অনেকে বিপ্লব, হাসান, বুদ্ধপ্রিয় এবং সুনন্দ ( যাদের নাম মুখে নিতে লজ্জা হয়) সম্পর্কে হেনস্তা করেছে প্রমান সহকারে এবং আপনারা অনেকে জানেন তাদের হেনস্তা করার মতো আরো অনেক কিছু আছে এমন কি আজ যে বিষয়ে কথা বলছি তাই বাঁ মন্দ কি?

পরিশেষে বিবৃতি সাইন করেছেন

ভদন্ত বুদ্ধপ্রিয় মহাথের ,

সভাপতি , বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ।

বাবু পি আর বড়ুয়া

মহাসচিব, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ।

ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়,

সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন

বাবু দিব্যেন্দু বিকাশ চৌধুরী বড়ুয়া , সভাপতি, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন।

বাবু সুপ্ত ভূষন বড়ুয়া, ভাইস-চেয়ারম্যান, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট।

প্রশ্ন হচ্ছে বুদ্ধ প্রিয় আর প্রকৃতি রঞ্জন (অহ হা নাম ধরে বলছি অনেকে আবার সেটা নিয়ে সমালোচনা করবেন – এ পর্যন্ত যা করেছে তাতে ওদের নামে গালি ছাড়া তো তাদের অন্য কিছু প্রাপ্তি আছে বলে মনে হয় না)। যাই হউক বুদ্ধপ্রিয় আর প্রকৃতি কোন সাহসে বিবৃতি দিলো বুদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও মহাসচিব উল্লেখ করে আপনাদের সবার জানা মতে বুদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ কোন ভাবে এ ধরনের কোন সিদ্ধান্ত প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নেয়নি একিভাবে ভিক্ষু নামে কলংক সুনন্দপ্রিয় এবং দিব্যেন্দু ব্যবহার করলো বাংলাদেশ বুডীষ্ট ফেডারেশনের সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদকের পদ অথচ আপনাদের সবার জানা বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট ফেডারেশন এ ধরনের কোন সিদ্ধান্ত প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে নেয়নি। তাহলে এই চারজন অনাকাংখিতভাবে বাংলাদেশ বুড্ডীষ্ট ফেডারেশন ও বুদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের অপব্যবহার করেছে – এই চারজন কে যথাশীঘ্র এই দুই সম্মানজনক প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেবার জোর দাবী জানাচ্ছি। সব চেয়ে ঘোরতর অপরাধ করেছেন সুপ্ত ভূষন বড়ুয়া কারন বিবৃতিটি তিনি দিয়েছেন ভাইস-চেয়ারম্যান, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয়, গন প্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকারের প্যাড এবং পদ ব্যবহার করে – প্রশ্ন হচ্ছে সরকার কি এই বিবৃতি দিয়েছেন – এর কোন সাক্ষ্য প্রমান নেই যে সরকার এ ধরনের একটা গহীর্ত কাজ করবেন – তাহলে বুঝে দেখুন কারা সরকারের ভাব মুর্তি নষ্ট করছেন? কারা সরকারকে বিপদে ফেলছেন? এই হাসান গং এই সমস্ত অপদার্থ লোকগুলোকে দিয়ে আওয়ামীলগের নৌকা ভরিয়ে তুলছেন – তাতে ফলাফল কি হবে কি জনগনের করনীয় ভাবনার বিষয় বৈকি। সম্প্রতি ভদন্ত বুদ্ধপ্রিয় মহাথের তার ফেইসবুক আইডিতে লিখেছেন, “আজকে বাংলাদেশের বিভিন্ন বহুল প্রচারিত সংবাদ পত্রে ভূমি দখল ও পাহাড় কাটার সমালোচনায় বৌদ্ধ নেতারা এতদসংক্রান্ত ও অন্যান্য শিরোনামে যে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে তা সঠিক নয় এবং ওই সংবাদ বিকৃতভাবে পরিবেশন করা হয়েছে” – অর্থাৎ যারা পত্রিকায় এটা ছাপিয়েছেন মানে হাসান গং তারা এটা আরো বেশী বিকৃত করে প্রথম আলো, সমকাল ও অন্যান্য পত্রিকায় ছাপিয়েছেন – এর পরে ও কি আপনাদের লজ্জা হবে না ভদন্ত বুদ্ধ প্রিয়। লজ্জা থাকলে সেই কলংকিত মুখ আর কাঊকে না দেখায়ে গলায় দড়ি দিয়ে মরেন – একটা নাবালক শিশুর ও এর চেয়ে বেশী বুদ্ধি থাকে। শরনংকর থেরো তো নিজের গুনে একটা বিহার, স্কুল, অনাথ আশ্রম করেছে আপনারা যারা উনার বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছেন তারা কি করেছেন বাংলাদেশের জন্য কি করেছেন বৌদ্ধ দের জন্য কিছুই করেন নি বরং বৌদ্ধদের নাম ভাঙ্গিয়ে সুপ্ত বাবু দুটাকার বেতন পেয়ে ঢাকায় দুটা ফ্ল্যাট বিরাট অংকের ব্যাং ব্যালেন্স আর বুদ্ধপ্রিয় সারা জীবনে একটা বৌদ্ধ বিহারতো দুরের কথা একটা কামরা তৈরী করার মতো ক্ষমতা তোমার হয়নি আর তোমার অপ কর্মের কথা না হয় নাই বললাম। ওরা যে সে রকম তা তো সকলেই জানে তবু ও বাংলাদেশি বৌদ্ধরা তাদের কেন ঝাটা পেটা করে না এবং সরকার কেনই বাঁ এ সমস্ত দুস্কৃতিকারীদের প্রশ্রয় দেয় – ভেবে দেখার বিষয়।

জনগনের উচিত সরকারের পক্ষ হয়ে যেহেতু তারা সরকারী প্যাড, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয় এবং পদ ব্যবহার করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিবৃতি দিয়েছে, বাংলাদেশ বুদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ এবং বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট ফেডারেশনের নাম ভাঙ্গিয়ে বিবৃতি দিয়েছে সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বুদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ এবং বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট ফেডারেশনের পক্ষ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মান হানি, ক্ষমতার অপ ব্যবহার এবং সরকারের ভাবমুর্তি নষ্ট করার দায়ে কেইস করা উচিত যার হেডোম আছে করেন প্লীজ – শিক্ষা হউক বদমাইশদের।

অক্টোবরের ১৭ তারিখ বাবু স্নেহাশীষ প্রিয় বড়ুয়া লিখেছেনঃ পূজনিয় বুদ্ধপ্রিয় ভান্তে এবং সুনন্দ ভান্তে, বাবু সুপ্ত ভূষন বড়ুয়া, বাবু দিবেন্দু বিকাশ চৌধুরি বড়ুয়া, বাবু অমর বড়ুয়া পূজনীয় শরনংকর ভান্তের বিরুদ্ধে, ভান্তেকে দোষি সাব্যস্ত করে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয় এর অফিসিয়াল প্যাডে বিবৃতি দিয়েছেন সুত্রে সমকাল ও প্রথম আলো পত্রিকায় খবর ছাপানো হয়েছে এবং বিবৃতির ছবি যেমনটি সংযুক্ত ছবি। বিশ্বাস হয় না উক্ত চার জন ব্যক্তি এ ধরনের কাজ করেছেন। আমার মনে হয়েছে খবরটি ভূয়া খবর। কারন বিবৃতির ৪ টি পাতা। ৪টি পাতার মধ্যে কেবল ১টি বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্ট এর প্যাড। তাতো হবার কথা নয়। দুই ৪টি কাগজের সাইজ ও মান ও এক নয়। তিন দেখা যাচ্ছে সাইন করেছেন প্রকৃতি রঞ্জন বড়ুয়া বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের বর্তমান মহাসচিব – অথচ খবরে বলা হচ্ছে সাইন করেছেন বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের মহাসচিব সাবেক ডিআইজি অমর বড়ুয়া। চার সমকাল নিউজে উক্ত ৪টি পাতার একটি দিয়ে কভার ফটো করা হয়েছে অতএব বুঝা যাচ্ছে এখানে সংযুক্ত ৪টি পাতার উপর ভিত্তি করে নিউজটি করা হয়েছে। ৫ম বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের মহাসচিব সাবেক ডিআইজি অমর বড়ুয়া নামে এ পর্যন্ত কেহ ছিলেন না। ৬ষ্ঠ সাইন করেছেন বর্তমান মহাসচিব পি আর বড়ুয়া। অতএব এটা পরিস্কার যে খবরটি ছাপানোর সময় প্রত্রিকা দুটি তাদের প্রয়োজনিয় দায়িত্ব পালন করতে সম্পুর্নভাবে ব্যর্থ হয়েছে এবং এ ধরনের কর্ম কান্ড একটি জাতীর ভেতর অন্তর্দন্ধ সৃষ্ট করে বিরাট ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। যাই হউক সকলকে অনুরোধ করছি ধৈর্য ধরতে কেউ কোন ধরনের কমেন্ট করবেন না আমরা কিছু সময়ের মধ্যে যাচাই বাছাই করে আসল সত্য আপনাদের সামনে প্রকাশ করবো – সে পর্যন্ত অপেক্ষা করুন প্লীজ । সমকাল পত্রিকার লিঙ্ক https://samakal.com/bangladesh/article/201040460/-%E0%A6%AC%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%96%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A8%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%A8%E0%A7%9F

প্রথম আলো পত্রিকার লিঙ্ক

https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%96%E0%A6%B2-%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A7%9C-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE?fbclid=IwAR0wTJfsccFEjAzclsX5pK87K3lVKSUMVg5qblOPrvvIaiylft-7X3BR7Yk

ঝ) প্রতিষ্ঠিত স্কুলের তথ্য চিত্র ও ভিডিও লিঙ্কঃ

ঞ) দুই একরের মতো জায়গার দলিলাদি/প্রমান পত্রঃ

https://drive.google.com/drive/folders/1tREviijnbOJ6QDS1zEWZPbN7VUWIPlkX?usp=sharing

ট) রিমন রিমু নামে একটা ফেইক ফেইসবুক একাউন্ট সংক্রান্ত তথ্যাবলীঃ ১১ জুলাই ২০২০ Rimon Rimu ফেইক ফেসবুক আইডিতে শরণংকর মহাথের ছবি ব্যবহার করে ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করেছেন অপবাদ দিয়ে অনবরত মিটিং, মিছিল করে ফাঁসি চাই, দেশ ত্যাগ ও হত্যার হুমকি দিচ্ছে। বিজ্ঞ সাইবার ট্রাইবুনালে, ঢাকায় আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা নং ২৪৬/২০ এবং ১৪৩/২০ দায়ের করা হয়েছে এবং উক্ত মামলা তদন্তাধীন।

ঠ) তথ্য মন্ত্রীর কাছে পেশকৃত স্মারকলিপির কপি উনার সুপারিশসমেত

বিনীত –

ভদন্ত শরণংকর মহাথরে

প্রতষ্ঠিাতা-পরচিালক;  জ্ঞানশরণ মহারণ্য বৌদ্ধ বহিার ও কমপ্লক্সে

গ্রামঃ ফলাহারয়িা, পোঃ উত্তর পদুয়া, থানাঃ রাঙ্গুনয়িা, জলোঃ চট্টগ্রাম ।

মোবাইলঃ  ০১৮৮২৬৫০৯৯২,  ০১৮৪৫৮৪৫৪৫৩

সম্মন্ধে SNEHASHIS Priya Barua

এটা ও দেখতে পারেন

হাজার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সমবেত প্রার্থনা করে ইংরেজি নতুন বছর ২০২১ সালকে বরণ –ত্রিরত্ন সংঘ,চট্টগ্রাম।

হাজার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সমবেত প্রার্থনা করে ইংরেজি নতুন বছর ২০২১ সালকে বরণ –ত্রিরত্ন সংঘ,চট্টগ্রাম। …

Leave a Reply