ব্রেকিং নিউজ

বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ-কে বুদ্ধ কি বলেছিলেন?

বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ-কে বুদ্ধ কি বলেছিলেন?

ইলা মুৎসুদ্দী

ba12

অন্যতম ব্রাহ্মণ প্রবর রক্ষ চেহারায় রুক্ষ বেশে ভগবানের  নিকট উপস্থিত হয়ে সম্ভাষণ করলেন এবং সন্তোষজনক স্মরণীয় কথা শেষ করে একান্তে বসলেন। ভগবান তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন “হে ব্রাহ্মণ, তোমার এ রুক্ষ চেহারা রুক্ষ বেশ কেন? ব্রাহ্মণ- ভবৎ গৌতম, আমার চার পুত্র। তারা পত্নীদের পরামর্শে আমাকে গৃহ থেকে বিতাড়িত করে।

ভগবান- তা’হলে তুমি গাথাগুলো কন্ঠস্থ করে সভায় বিপুল জনতার সমাবেশে পুত্রগণ উপবিষ্ট থাকলে বলো — যাদের জন্ম হলে আনন্দিত হয়েছিলাম এবং যাদের শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেছিলাম, তারা আজ পত্নীদের পরামর্শে কুকুর যেমন শূয়রকে তাড়ায় তেমনি আমাকে তাড়াচ্ছে। অসৎ নীচ পুত্ররূপী রাক্ষসগণ (তখন আমাকে) ‘বাবা’ ‘বাবা’ বলে ডাকত, (এখন তারা) বয়োবৃদ্ধ আমাকে পরিত্যাগ করেছে। জীর্ণ অব্যবহার্য অশ্ব যেমন খাদ্য থেকে অপনীত হয়, তেমনি বালকদের স্থবির পিতা (আহার থেকে বঞ্চিত হয়ে) পরগৃহে ভিক্ষা করছে। যেহেতু আমার পুত্রগণ অবাধ্য, আমার ষষ্টিই শ্রেয় যা চন্ড গরুকে চন্ড কুকুরকে বারণ করে বা বাধা দেয়, অন্ধকারে পুরোভাগে থাকে এবং গভীর জলে ঠাঁই খোঁজে। দন্ডের প্রভাবে স্খলিত হয়েও আবার দাঁড়ায়। অতঃপর সে ব্রাহ্মণপ্রবর ভগবানের নিকট এগাথাগুলো মুখস্থ করে সভায় বিপুল জনতার সমাবেশে পুত্রগণ বসলে উচ্চারণ করলেন —-যাদের জন্ম হলে আনন্দিত হয়েছিলাম …. স্খলিত হয়ে আবার দাঁড়ায়।

তখন সে ব্রাহ্মণকে পুত্রগণ বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে স্নান করিয়ে প্রত্যেকে তাকে নববস্ত্র যুগলে আচ্ছাদিত করলেন। ব্রাহ্মণ প্রবর এক জোড়া নূতন বস্ত্র নিয়ে ভগবানের নিকট উপস্থিত হয়ে সম্ভাষণ করলেন এবং একান্তে উপবেশন পূর্বক ভগবানকে বললেন “ভবৎ গৌতম, আমরা ব্রাহ্মণ আচার্যের জন্য আচার্যধন অন্বেষণ করি, আপনি এ আচার্য ভাগ গ্রহণ করুন।” ভগবান অনুকম্পায় তা গ্রহণ করলেন। ব্রাহ্মণপ্রবর ভগবানকে বললেন “ভবৎ গৌতম আজ থেকে আমি আপনার শরণাপন্ন হলাম। আমাকে উপাসক বলে মনে করুন।

 সূত্র-সংযুক্ত নিকায় ১ম ও ২য় খন্ড, অনুবাদক-শীলানন্দ ব্রক্ষ্মচারী

সম্মন্ধে ela mutsuddi

এটা ও দেখতে পারেন

খুব সংক্ষেপে মহাসতিপট্ঠান সহায়িকা

একূশটি উপায়ে অরহ্ত্ত্ব লাভের উপায় তথা কর্মস্থান সংযূক্ত গভীর অর্থসংযুক্ত মহাসতিপট্ঠান সূত্তI এখানে একুশটি উপায়ে …

Leave a Reply