ব্রেকিং নিউজ

কৃষক ভারদ্বাজকে বুদ্ধ কি কর্ষণ আর বপনের কথা বলেছেন?

কৃষক ভারদ্বাজকে বুদ্ধ কি কর্ষণ আর বপনের কথা বলেছেন?

ইলা মুৎসুদ্দী

bnm

এক সময় মগধ রাজ্য দক্ষিণাগিরি অঞ্চলে এক নালা নামক ব্রাহ্মণ গ্রামে বাস করেছিলেন। তখন বপন কালে ব্রাহ্মণ কৃষক ভারদ্বাজের পাঁচশ লাঙল প্রযুক্ত হয়েছিল বা কাজে লাগানো হয়েছিল। ভগবান পূর্বাহ্নে পাত্র চীবর নিয়ে ব্রাহ্মণ কৃষক ভারদ্বাজের কর্মস্থলে উপস্থিত হলেন। সে সময় কৃষক ভারদ্বাজের পরিবেশন চলছিল। ভগবান সেখানে উপস্থিত হয়ে একান্তে দাঁড়ালেন। ব্রাহ্মণ ভগবানকে ভিক্ষার জন্য দন্ডায়মান দেখে বলেলন, হে শ্রমণ, আমি কর্ষণ করি বপন করি, কর্ষণ করে বপন করে খাও।

ভগবান- হে ব্রাহ্মণ, আমিও কর্ষণ করি বপন করি, কর্ষণ করে বপন করে খাই।

ব্রাহ্মণ- ভবৎ গৌতমের লাঙল, জোয়াল, ফাল, পাচন বাড়ি, বলদ কিছুই আমরা দেখছিনা, অথচ ভবৎ গৌতম বলছেন “আমিও কর্ষণ করি বপন করি, কর্ষণ করে বপন করে খাই।

কৃষক ভারদ্বাজ ভগবানকে গাথায় বললেন- কৃষক বলে আপনি পরিচয় দিচ্ছেন, কিন্তু আপনার কৃষিকর্ম কিছুই দেখছি না। আপনি কিরকম কৃষক তা বলুন। কিরূপে সে কৃষিকর্ম জানতে পারি।

ভগবান- (আমার কৃষি কর্মে) শ্রদ্ধা বীজ, তপস্যা বৃষ্টি, প্রজ্ঞা লাঙল জোয়াল, হ্রী বা পাপের প্রতি ঘৃণা ঈষা বা লাঙল দন্ড, মন যোত্র বা গরু বাঁধার জোত, স্মৃতি বা জাগরণশীলতা আমার ফাল পাচন বাড়ি। (কায়সুচরিতের দ্বারা) কায়সংযত, (বাক্সুচরিতের দ্বারা) বাক্সংযত উদরে আহারে সংযত বা মিতাহারী হয়ে সত্যে (পাপ চেতনার আগছা) উপড়ে ফেলি এবং সুন্দর নির্বাণে রতি আমায় (করণীয় থেকে) মুক্তি। বীর্য বা সম্যক প্রচেষ্টা আমার যোগক্ষেমাধিবাহন ধরবাহী অবিরাম চলছে যেখানে গিয়ে শোক করেন।

ব্রাহ্মণ- ভোজন করুন, ভবৎ গৌতম কৃষক বলেন, যেহেতু ভবৎ গৌতম অমৃতবলপ্রদ কৃষি কর্ষণ করেন।

ভগবান- হে ব্রাহ্মণ, গাথা উচ্চারণে লব্ধ আহার আমার ভোগ্য নয় …. ক্ষেত্র।

এ উক্তি শুনে কৃষক ভারদ্বাজ বুদ্ধের শরণাগত উপাসক হলেন।

সূত্র-সংযুক্ত নিকায় ১ম ও ২য় খন্ড, অনুবাদক-শীলানন্দ ব্রক্ষ্মচারী

সম্মন্ধে ela mutsuddi

এটা ও দেখতে পারেন

খুব সংক্ষেপে মহাসতিপট্ঠান সহায়িকা

একূশটি উপায়ে অরহ্ত্ত্ব লাভের উপায় তথা কর্মস্থান সংযূক্ত গভীর অর্থসংযুক্ত মহাসতিপট্ঠান সূত্তI এখানে একুশটি উপায়ে …

Leave a Reply