ব্রেকিং নিউজ

লেখক ভেদে লেখা সংগ্রহ

লেখক ভেদে লেখা সংগ্রহ

মূর্খসঙ্গ মার্গফল লাভের উপনিশ্রয় সম্পত্তিও ধ্বংস করতে পারে

ইলা মুৎসুদ্দী উপরাজকালে কুমার অজাতশত্রু দেবদত্তের ঋদ্ধিবলে বশীভূত হয়ে তাঁর প্রতি অত্যন্ত ভক্তিপরায়ণ হন। তিনি প্রতিদিন পাঁচশত ভিক্ষুর খাদ্য দেবদত্তের নিকট পাঠাতেন এবং সকাল বিকাল তার সেবার জন্য গমন করতেন। দেবদত্ত যখন বুঝতে পারেন যে কুমার সম্পূর্ণ তাঁর বশে এসেছেন তিনি একদিন কুমারকে বলেন-পূর্বে মানুষেরা দীর্ঘায়ুসম্পন্ন ছিল, এখন কিন্তু মানুষের …

বিস্তারিত »

পদুমুত্তর বুদ্ধ কি ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন?

ইলা মুৎসুদ্দী সামন্তচক্ষু  বুদ্ধ  ভবিষ্যৎ বাণী প্রকাশ করে বল্লেন “হে আমার প্রিয় শিষ্য মণ্ডলী, যে ব্যক্তি সপ্তাহ-কাল যাবৎ আমাদেরকে মহাদান দিয়েছে, তার দানের সফলতা ও লাভী শ্রেষ্ঠত্বপদ প্রার্থনা পরিপূর্ণ হবে দেখে আমি ঈষৎ হেসেছি। এখন আমি তাঁর দানের ফল বর্ণনা করবো তোমরা মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ কর। জগতের মহাঋদ্ধি সম্পন্ন দেবগণও …

বিস্তারিত »

উপগুপ্ত ভান্তের ধর্ম প্রচার, আয়ু সংস্কার বৃদ্ধি ও নাগরাজের আমন্ত্রণ (ফাং) গ্রহণ

   ইলা মুৎসুদ্দী পূজনীয় উপগুপ্ত ভিক্ষু অর্হত্বফল সাক্ষাৎ করে সে সঞ্জীবনী জ্ঞান-সুধা পাত্র হাতে নিয়ে ছুটে গেলেন মুমূক্ষূ মানুষের দ্বারপ্রান্তে। তাঁর ছিল মৈত্রী মন্ত্রের আকর্ষণীয় শক্তি। শ্রীমুখ হতে সর্বদা নিঃসৃত হতো ঝর্না ধারার মতো সত্য-সুন্দর নৈর্বাণিক-ধর্মের অনুপম অমৃতময় মধুর বাণী। আর সেই ধর্মামৃতের সম্মোহনী বাণীর দ্বারা ভক্তবৃন্দের মন হয়ে উঠত …

বিস্তারিত »

উপগুপ্তের প্রব্রজ্যা ও অর্হত্ত্বফল লাভ এর ঘটনা কিরকম ছিলো?

  ইলা মুৎসুদ্দী শ্রীমান উপগুপ্ত জীবনের প্রথম লগ্ন হতেই শীলবারি ধারায় ধৌত করেছেন নিজ চিত্ত জগতকে। যা’ পরবর্তী কালে পরিণতি লাভ করলো বৈরাগ্য ধর্মে। তিনি ভাবলেন “তৃষ্ণাই’তো দুঃখের জননী। একমাত্র বিরাগই দুঃখ নিবৃত্তির উপায়। এরই আশ্রয় নিতে হবে আমাকে। শুধু অপরকে উপদেশ দিয়ে কী হবে? আত্মজয়ে হতে হবে প্রমুক্ত; সঞ্জীবিত …

বিস্তারিত »

অরহত উপগুপ্তের যৌবনে পদার্পণ ও বহুশ্রুত জ্ঞানের অধিকারী কিভাবে হলেন?

  ইলা মুৎসুদ্দী ছোট শিশু শ্রীমান উপগুপ্তের বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাঁর জ্ঞানও তদ্রুপ বেড়ে চলছে। নির্ভেজাল বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি পিতা-মাতার অচলা শ্রদ্ধা ও অটল বিশ্বাস শ্রীমান উপগুপ্তের মধ্যেও তা’ বিকাশ লাভ করল, পুণ্য-সংস্কারের প্রবল আকর্ষণে। বয়ঃপ্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই সুগঠিত হতে লাগল পুণ্য-লক্ষণ লাঞ্ছিত তাঁর অঙ্গ-সৌষ্ঠব। স্নেহ ও কারুণ্যে ভরা হাস্যেদ্দীপ্ত …

বিস্তারিত »

বাসবদত্তার সম্যক্জ্ঞান উদয় কিভাবে হলো? (পর্ব ৩)

ইলা মুৎসুদ্দী শ্রীমান উপগুপ্তের অমৃতময় উপদেশ-বাণীর প্রত্যেক বাক্যই বাসবদত্তার কর্ণে প্রবেশ করলো। কায়গতানুস্মৃতির সমস্ত বিষয়ই সুস্পষ্ট প্রতিচ্ছবির ন্যায় ওর জ্ঞান-দর্পণে প্রতিভাত হলো। ঘৃণিত, নশ্বর ও দুঃখময় দেহের প্রতি উৎপন্ন হলো তীব্র বিরাগ। শান্তি লাভের জন্য শ্রদ্ধান্বিত হয়ে প্রথমে তিনবার “নমো তস্স ভগবতো অরহতো সম্মা সম্বুদ্ধস্স” বলে শরণাগত হলো বাসবদত্তা। বহুশ্রুত …

বিস্তারিত »

বাসবদত্তাকে উপগুপ্তের উপদেশ প্রদান (পর্ব ২)

ইলা মুৎসুদ্দী মানুষের মন যখন বাহ্য-দৃষ্টিতে রূপজ মোহে অন্ধ হয়ে যায়, তখন মন আর কিছু দেখতে পায় না। হৃদয় ভাল-মন্দ উপলব্ধি করতে পারে না। মোহের তাড়নায় তখন মন এতো চঞ্চল হয়ে উঠে যে, জগতে একাকার অন্ধকার ছাড়া আর অন্যকিছু দেখতে পায় না। রক্তক্ষরণে দুর্বল বাসবদত্তা থেমে থেমে বলে অনুশোচনার করুণ …

বিস্তারিত »

গৃহী উপগুপ্ত ও বাসবদত্তা (পর্ব-১)

ইলা মুৎসুদ্দী শ্রীমান উপগুপ্তের ব্যবসার উন্নতি এবং সুনাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল তাঁর বিক্রয় লব্ধ দ্রব্যের গুণাগুণের কথা আর তাঁর সুসংযত অমায়িক ভদ্রব্যবহার ও শীলগুণের কথা। সেই সময়ে নগরীতে রূপের পশরা খুলে জাঁকিয়ে বসেছিলো বাসবদত্তা নাম্নী এক যুবতী গণিকা। সে ছিলো প্রায় ধনাঢ্য বণিকদের মানস-প্রিয়া ও অনুগ্রহিতা। পূর্ণ-যৌবনা বাসবদত্তা কলাকৌশলে, গণিকা …

বিস্তারিত »

সম্যকদৃষ্টি কাকে বলে; কিসে আর্যশ্রাবক সম্যকদৃষ্টিসম্পন্ন হন?

ইলা মুৎসুদ্দী এক সময় ভগবান শ্রাবস্তীর নিকটে জেতবনে অনাথপিণ্ডিকের বিহারে অবস্থান করছিলেন। সে সময়ে একদিন আয়ুষ্মান সারিপুত্র সমবেত ভিক্ষুগণকে আহ্বান করে বললেন, বন্ধুগণ!। ভিক্ষুরা প্রত্যুত্তরে হ্যাঁ ভন্তে বলে সাড়া দিলেন। আয়ুষ্মান সারিপুত্র বললেন’ বন্ধুগণ! এই যে লোকে সম্যকদৃষ্টি , সম্যকদৃষ্টি বলে; কিসে আর্যশ্রাবক সম্যকদৃষ্টিসম্পন্ন হন? কিসে তাঁর দৃষ্টি ঋজু হয়? …

বিস্তারিত »

বুদ্ধের পিতা রাজা শুদ্ধোধন কখন কিভাবে ধর্মচক্ষু লাভ করেছিলেন?

ইলা মুৎসুদ্দী বুদ্ধ পরদিন প্রত্যুষ সময়ে গাত্রোত্থান করিয়া কি উপায়ে অদ্য ভোজন সমাধান করিবেন চিন্তা করিয়া “অদ্য পূর্ববুদ্ধগণের প্রতিপদা* আচরণ করাই সর্বোত্তম হইবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিলেন। তাঁহার মনে হইল -পূর্ব পূর্ব বুদ্ধগণ নিমন্ত্রণ ব্যতীত জনগণের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষাচরণ করিয়া জীবন ধারণ করিয়াছিলেন। বিনা নিমন্ত্রণে কাহারো গৃহে ভোজন করেন নাই। বুদ্ধ …

বিস্তারিত »
Translate »