ব্রেকিং নিউজ

পূজনিয় শরনংকর বনাম ডঃ হাছান মাহমুদ বা এরশাদ শিরোনামটা শতভাগ সঠিক নয়

🙏✍️🌺🌸🥀🌻(লেখাটি যে কোন কেউ ছাপাতে পারেন আমার অনুমতির প্রয়োজন নাই) পূজনিয় শরনংকর বনাম ডঃ হাছান মাহমুদ বা এরশাদ শিরোনামটা শতভাগ সঠিক নয় – প্রকৃত পক্ষে নাকি হওয়া উচিত সন্ত্রাসী বনাম বাংলার নীরিহ বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, হিন্দু, মুসলিম আপামর জনগন। এ সন্ত্রাসী কার্যক্রম মন্ত্রীর প্ররোচনায় তার ভাই এরশাদ কতৃক পরিচালিতে হয়ে আসছে অত্র এলাকায় বিগত ৭বছর উর্ধো সময় ধরে, যেমন পশ্চিম খুরিশিয়া বন বিভাগের জায়গা ও সাধারণ মানুষের জায়গা জোর দখল করছে মেরিন প্রাইভেট লিঃ নামে কোম্পানী। মূলতঃ ঐ কোম্পানির হয়ে দখল করছে মন্ত্রীর ভাই এরশাদ, শুধু কি তাই আগেও উক্ত করেছি কিন্তু মনে হচ্ছে না আপনারা বিষয়টি সেভাবে বুঝেছেন, আগে উক্ত, “শুনেছি বনের পর বন কেটে উজার করেন, মাটি আর বালু অবৈধভাবে নিজ সম্পত্তি ভেবে বিক্রি করে, চাদাবাজি করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে অত্র এলাকায় (কোটি কোটি টাকার মামলা)। বিশাল অংকের টাকা সুতারাং জড়িত হয়তো অনেকে। গুজব রয়েছে এ কারনে সম্প্রতি হাছান মাহমুদের রাজনীতিক ক্যারিয়ারে ভাটা পড়েছে …ইত্যাদি ইত্যাদি – এ বিষয়ে কি কতৃপক্ষ খোজখবর নিয়ে দেখেছেন? কোথায় স্বার্থের দ্বন্দ্ব?” কি বোঝাতে চেয়েছি এ সমস্যা শুধু শরনংকর ভান্তের নয় বরং সেখানাকার ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে আপামর জনতার। তবে এটা সত্য যে সন্ত্রাসীদের মুল টার্গেট এখন ভান্তে শরনংকর কারন তিনি তাদের কাজে বাধা হয়ে দাড়িয়েছিলেন বলে। এ বিষয়ে আগে যেমনটি লিখেছি তা নিম্নরুপঃনিজে খাল কেটে কুমির আনলেন – সত্য-মিথ্যা যাচাই এর প্রয়োজন, মন্ত্রী হাছান মাহমুদের ভাই এরশাদ। : স্নেহাশীষ প্রিয় বড়ুয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, আমেরিকাhttps://www.facebook.com/NewsRangunia.com.lmt/videos/265413751423712/খবর এসেছে মানব বন্ধনের ভিডিওটি প্রহসনমূলক এবং এরশাদ মাহমুদ যিনি মন্ত্রী হাছান মাহমুদের ভাই তিনি হচ্ছেন নাটের গুরু – যেমন এই মানবন্ধনের আয়োজনে্র মূল হোতা ও তিনি, শুধু তাই নয় তিনি যে সাধারন মানুষকে শিখিয়ে পড়িয়ে, ছলে-বলে কৌশলে শরনংকর ভান্তের বিরুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন তার প্রমান করার জন্য বেশী না তাদের পোষ্টকৃত ভিডিওটির ৫৭ সেকেন্ড থেকে ১মিনিট ৪ সেকেন্ড পর্যন্ত দেখুন ( যার লিঙ্ক উপরে দেয়া আছে) দেখবেন একটি বহু মূল্যমানের গাড়ী এসে থামলেন যিনি বক্তাকে শিখিয়ে দিচ্ছেন কি বলতে হবে, গাড়ির নাম্বারটা ও দেখা যায়, এর পরে ও কি আমরা বলবো এর সাথে মন্ত্রী মহদয়ের কোন সম্পর্ক নাই???? প্রশ্ন এরশাদের কাছে এত দামী গাড়ী, এত সয় সম্পত্তির উৎস কি? অহ রাংগুনিয়া টিভি চ্যানেলটির ও তিনি প্রধান পৃষ্ঠপোষোক, বুঝে দেখুন কারা দিচ্ছেন উস্কানি??? মানব বন্ধনে বলা হয়েছে শরনংকর ভান্তে নাকি Rumon Himu আইডি থেকে অসম্প্রদায়িক কথা বার্তা বলেছেন অথচ সবাই জানে উক্ত আইডিটা ভান্তের নয় এবং ভান্তে এ বিষয়ে বক্তব্য ও রেখেছেন – শুধু তাই নয় শুনেছি রাঙ্গুনিয়ার অন্য বিহারের ভিক্ষু ও জনসাধারনকে ও ভয় ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে – এ বিশয়ে আজ রাজারহাটে তাদের কতিপয় ব্যক্তি মিটীং ও করেছেন। সকলের কাছে অনুরোধ চিলের পিছনে না ছুটে কানে হাত দিয়ে দেখুন – সত্য মিথ্যা যাচাই করুন। মনে রাখবেন, যে অপরাধ করে এবং যিনি সংঘঠিত করেন, যিনি তাতে সাহায্য করেন সকলেই অপরাধী । শুনেছি এরশাদ নাকি মন্ত্রী মহদয়ের কথা শোনেন না তা বেশ তো কথা শোনার কি দরকার মন্ত্রী হিসেবে আপনার দায়ীত্ব অপরাধিকে আইনের হাতে সমর্পন করা – দেখার বিষয় হলো তা আপনি করছেন কি?প্রহসন কাকে বলে, একদিকে যেখানে, রাঙ্গুনিয়া ফলারিয়া জ্ঞানশরণ মহারণ্য বৌদ্ধ বিহার বিষয়ে আলোচনায় সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে অনুরোধ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আর অন্যদিকে তারপরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে ৩০জন ভিক্ষু-শ্রামণ কে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য করা হচ্ছে ১২ জুলাই ২০২০, রবিবার।বিষয়টি বোঝার সুবিধার জন্য পর্ব এক ও নীচে সংযুক্ত করিলাম এবং পর্ব তিনের অপেক্ষা করুন।পূজনিয় শরনংকর বনাম কে বা কারা? পর্ব একঃ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার হোতা কে মহোদয় হাছান মাহমুদ না পূজনিয় শরনংকর সত্য-মিথ্যা যাচাই প্রয়োজনঃ ভাইয়ের পক্ষ না নিয়ে কি তোমাদের পক্ষ নেবে? খারাপ হউক আর ভালো হউক, নিশ্চই না – এখন প্রশ্ন হচ্ছে কার ভ্রাতা (এরশাদের) তিনি কি করেন? শুনেছি বনের পর বন কেটে উজার করেন, মাটি আর বালু অবৈধভাবে নিজ সম্পত্তি ভেবে বিক্রি করে, চাদাবাজি করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে অত্র এলাকায় (কোটি কোটি টাকার মামলা)। বিশাল অংকের টাকা সুতারাং জড়িত হয়তো অনেকে। গুজব রয়েছে এ কারনে সম্প্রতি হাছান মাহমুদের রাজনীতিক ক্যারিয়ারে ভাটা পড়েছে …ইত্যাদি ইত্যাদি – এ বিষয়ে কি কতৃপক্ষ খোজখবর নিয়ে দেখেছেন? কোথায় স্বার্থের দ্বন্দ্ব? মহদয়কে আমি বাদী বা বিবাদী বানাচ্ছি না বরং তারা নিজেরাই খাল কেটে কুমির আনছেন, যেমনঃ অভিজিৎ তালুকদারদের মতো ব্যক্তিদের বক্তব্য থেকে ফুটে ঊঠে যে, পুজনিয় শরনংকর ভান্তে হচ্ছেন ডঃ হাছান মাহমুদের প্রতিদ্বন্ধি। উনাদের বক্তব্যে সুস্পটভাবে বলা হয়েছে হাছান মাহমুদ ভালো আর শরনংকর ভান্তে খারাপ – সেক্ষেত্রে দুপক্ষ, এক পক্ষ হচ্ছে পূজনিয় শরনংকর ও অন্য পক্ষ হচ্ছে হাছান মাহমুদ মানে বাদি আর বিবাদি। ধরে নিন পূজনিয় শরনংকর হচ্ছেন বাদী আর হাছান মাহমুদ হচ্ছেন বিবাদী আর তার সাংগপাংগরা হচ্ছেন উনার নিজের ভাই এরশাদ, তার কর্মচারী বিপুল বড়ুয়া, টিটু বড়ুয়া ইত্যাদি। যদি তাই হয় তাহলে বৌদ্ধ সমাজের কাছে প্রশ্ন – বিবেকের কাছে প্রশ্ন – আমরা কি বিবেক বুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছি? পরপর দুবার সমস্যা সমাধানের নাম করে যা হলো তা হচ্ছে – বৌদ্ধ সমাজের কতিপয় নেতা গেলেন কার কাছে, বাদীর বিচার চাইতে বিবাদীর কাছে? তাহলে আসলে বাংলাদেশ থেকে জজ সাহেবদের ছুটি দিয়ে দেয়া প্রয়োজন নয় কি? এ গেলো এক দৃষ্টি কোন অন্য পক্ষ বলছেন ভাই হাছান মাহমুদ হচ্ছেন মন্ত্রী মানে সরকার – সরকারের হাত অনেক লম্বা, বিষয়টি ভুল নয় কি? উনি এক ব্যক্তি সরকার নন এবং একজন মন্ত্রি পুরো সরকার ও নয় তদুপরি তারা ভুল করলে কিংবা অপরাধ করলে তার বিচার করতে পারেন জন নেত্রী শেখ হাসিনা কিংবা রাষ্ট্রপতি যারা সরকার প্রধান কিংবা আদালত। কিন্তু বৌদ্ধ সমাজ বিচার চাইতে গেলেন কার কাছে পর পর দুবার বিবাদির কাছে। রেজাল্ট শুনেছি, পূজনিয় শরনংকর ভান্তে ফলাহারিয়া যেতে পারবেন না – সাম্প্রদায়িক দাংগা হবে – প্রমান হিসেবে তুলে ধরলেন কিছু ভিডিও বক্তব্য – যেগুলো দেখে আমার মনে হয়েছে ছলছাতুরীতে তারা পাকিস্তানী রাজাকারদের ও হার মানাচ্ছেন এখন প্রশ্ন হচ্ছে কারা এরা যারা ভিডিওতে বক্তব্য রাখলেন, আসুন কয়েকজনের সাথে পরিচিত হই – বিপুল বড়ুয়া এবং টিটু বড়ুয়া যারা নিজ ভিডিওতে নিজেই স্বীকার করেছেন, যে তারা এরশাদের কর্মচারী – তা এরশাদের কর্মচারী কি এরশাদ কিংবা হাছানের গান না গেয়ে শরনংকর ভান্তের গুন গাইবে – তাতে বোঝা যায় কতটুকু প্রহসন করছেন মন্ত্রী মহোদয়? তা যারা ঘটনা সাজাতে ও পারেন না ঠিক মতো মানে এত কাচা তারা কি করে মন্ত্রী হন প্রশ্ন আসে বৈকী? অতএব সে ভিডিওগুলো যে ভিত্তিহীন তা বুঝতে কারো কষ্ট হবার কথা নয়। আর এক জনকে দেখলাম পরিচয় দিয়েছেন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা বৌদ্ধ সমিতির নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক বাবু রঞ্জন বড়ুয়া। যিনি নিজে বলছেন ভিডিওতে যে তিনি আগে শরনংকর ভান্তের কমিটিতে ছিলেন আর এখন নাই, মানে বিপক্ষ তবে তিনি এরশাদ আর হাছান মাহমুদের গুন না গেয়ে কি শরনংকের ভান্তের গুন গাইবেন – আমরা কি আশা করছি এখনো?প্রশ্ন এসেছেঃ তোরা যদি এতই ভালো হবি তবে তোরা মিথ্যা ভিডিওর সাহায্য নিচ্ছিস কেন? ফেইস বুকে ফেইক আইডি খুলে অসাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়াবার চেষ্টা করছিস কেন? হা এই টেকনিক তো ২০১২ সনে রামু ঘটনায় দেখতে পেয়েছি তাহলে কি তোরা সেখানে ও জড়িত ছিলি? তোরা কি সেই একি সংঘঠনের?ফেইসবুকে উক্ত “এরা তাও নিজেকে বৌদ্ধদের নেতা দাবী করে! আজ প্রায় সারাদিন অনলাইনে Rumon Himu নামের ফেইক আইডি স্ক্রিনশট গুলো দেখতে হয়েছে যেখানে শরনাংকর ভান্তের ছবি দিয়ে বাজে ভাষায় মুসলিমদের গালাগালি করেছে। ফেইক আইডি দিয়ে ব্লেইম করে বৌদ্ধ পল্লীতে আক্রমণের পুরানো গেম এটা বুঝতে এখন আর সি আই ডি হওয়া লাগেনা। এই লোকটা ভান্তেকে যেভাবে ব্লেইম দিয়ে সাম্প্রদায়িক হামলা উস্কানি দিচ্ছে তাতে ওনার কাছে জানতে চাওয়া হামলা হলে কি ওনার বাড়িতে আগুনে বদলে তারা কি ফুল ছুড়ে মারবে যাদের চামচাগিরি করছেন??)”ফেইসবুকে উক্ত, “শ্রদ্ধেয় দাদা আমিও আপনার সাথে এক মত পোষণ করছি। আগেও পুজনীয় ভান্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে তিন বার মামলা করেছে দুই বার সবার পুজনীয় ভান্তে মহোদয় পক্ষে রায় দিয়েছেন। গত এক মাস আগে আবার ৭৫ হাজার গাছ কাঁটার মামলা করেছে। সে মামলা পাশের থানায় গিয়ে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলেই নেয়নি। এ সমস্যা আজ না দীর্ঘ ৭/৮ বছর ধরে চলছে। আর এখন তো সবাই দেখতে পাচ্ছেন গত কাল স্থাপনা ভেঙেছে । আরো অনেক কথা যা বললে শেষ করা যাবে না। এখন এ সাধারণ লোকদের বাদ্য করে জোর পূর্বক কথা গুলো ভান্তের বিরুদ্ধে ভাইরাল করার চেষ্টা করছে। যারা স্থাপনা ভাঙতে উচ্চেদ করতে চায় তাদের এই সত্যি কথা তেঁতো লাগবে। আমিও চাই সুষ্ঠু নিরপেক্ষ সবার কাছে সুন্দর লাগে মত সমাধান। যে সমাধান হতে হবে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়। ধন্যবাদ।“ফেইসবুকে এও উক্ত, “এই বিবৃতি প্রত্যাহার করুন। কারন আমরা কিছু ভিডিও ফুটেজে লক্ষ্য করেছি যে, পুলিশ প্রশাসনের যারা নির্মান কাজ ভাঙ্গতে গিয়েছে তারা কোন দালিলিক নির্বাহী আদেশ ভান্তেকে প্রদর্শন করতে পারেনি। কাজেই এ ব্যপারে আপনিও কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এ বিবৃতি দিয়েছেন।“ – এ প্রসঙ্গে আসুন মন্ত্রী মহোদয় হাসান মাহমুদ এবং আমাদের নেতাদের সদিচ্ছার কথা কিছুটা তুলে ধরি – একঃ গত পোষ্ট আমারি উক্ত,“লায়ন রিংকু বড়ুয়া – এমন মিটিং করেছেন যে মিটিং থেকে বেরিয়ে তিনি পূজনিয় ভান্তেকে হুমকি দিয়েছেন যে ভিডিও টি ডিলিট করে ফেলার জন্য না হলে দেশদ্রোহী মামলায় নাকি তাকে ফাসানো হবে আর উনার কথা শুনলে উনি কোরবানের সময় এসে সংঘদান করবেন – রিংকু বাবুদের মতো বাবুদের গালে জুতার বারী মারা দরকার।“ দুইঃ পরবর্তীতে রিংকু বাবু একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন, যেখানে তিনি বলছেন, তাদের সাথে হাছান মাহমুদের সাথে কথা হয়েছে যে তারা ছূটিতে চট্টগ্রাম এসে ভান্তের সাথে দেখা করে বিষয়টি নিস্পত্তি করবেন এবং প্রসাশন, পুলিশ দিয়ে ভান্তের সুরক্ষা কিংবা পরিবেশ পরিস্থিতির শান্তি বজায় রাখবেন, তা কি মন্ত্রী করেছেন, ঘটনা বলছে ঠিক তার উলটো – যেমন তার পরবর্তী সহসা দেখা গেলো স্থানীয় ওসি সাহেব পুলিশ সমেত কিছু ভাড়া করা গূন্ডা নিয়ে গিয়ে ভান্তের কুঠিরের সীমা প্রস্থর ভাঙ্গা শুরু করলেন। ভিডিওতে এও উক্ত যে পুলিশের হাতে সে বিষয়ে কোন আইনত পরোয়ানা ছিলো না- তাই যদি হবে ওসি সাহেব ভীষন বড় ধরনের অপরাধ করেছে প্রমান সহ তা মাননিয় মন্ত্রী ধরে নিলাম আপনি তাকে মদত দেননি কিন্তু তাকে বরখাস্ত কিংবা তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন কি, এটি লেখা অবধি অনেক সময় গড়িয়ে গেলে আপনার সে সদিচ্ছা ছিলো না যা প্রমাণ করে আপনি এ ধরনের উস্কানির সাথে কতটা সম্পৃক্ত – তাহলে প্রশ্ন আসাটা কি অস্বাভাবিক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধাবার জন্য আপনি কি দায়ি হবেন না যদি তার উদ্ভব হয় এ ধরনের ঘটনার মধ্য দিয়ে? নাকি ভুল বলছি? এহেন অবস্থায় বিষয়টিতে আর বাদী বিবাদি নয় সরকার প্রধানদের, বিশেষ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার আশু পদক্ষেপ জনতার দাবী – কারন সন্ত্রাসি কার্যক্রম যে বা যিনি করেন তার অন্য কোন পরিচয় হতে পারে না তিনি সন্ত্রাসি। বন্ধুরা সাবধান আমদের ঘরের শ্ত্রু ভিবিষন উপরন্তু ফেইসবুকে ফেইক আইডি দিয়ে এবং বিভিন্ন লোকজনকে ভয়ের মুখে ফেলে, পয়সা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও প্রকাশ করে তারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। তবে সুখের বিষয় তারা জানেন খবরটা জন নেত্রী শেখ হাসিনার কানে গেলে অন্যায়কারীদের নিস্তার নেই তাই তারা তাদের ভিডিও তে জন নেত্রী শেখ হাসিনার কাছে না যাবার অনুরোধ করেছেন। তবে মনে রেখো বন্ধুগন শাহেদ বাটপার ও রেহাই পাইনি আর ভিডিও তে এমন কয়েকজনকে দেখেছি যারা দাগী আসামী।বলি এর পরে ও কি আমরা মুখে হাত দিয়ে বসে থাকবো- যার যা কিছু আছে নিয়ে বেরিয়ে আসুন, ভান্তের পাশে এসে দাড়ান – এটা আমাদের ও দেশ, অসাম্প্রদায়িকতার দেশ – সন্ত্রাসী যেই হউক না কেন তার আর অন্য কোন পরিচয় থাকতে পারে না – তার পরিচয় একটাই তা হলো সন্ত্রাসী – সন্ত্রাসিদের বাংলার বুকে ঠাই নাই।ওরা বাজে কথা বললে ও যেন আমাদের দিক থেকে কেউ কোন বাজে কথা না বলে – তার অর্থ এই নয় যে আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবো। আমরা সম্প্রিতিতে বিস্বাসী কিন্তু সন্ত্রাসে নয়। এর জন্য যা কিছু করতে হয় আমরা আপনাদের সাথে আছি এবং থাকবো, জেগে উঠো বৌদ্ধ সমাজ।ত্যাগ করুন যারা সন্ত্রাসিদের জুতা চাটে।অনেকে উক্ত করেছেন জলে থেকে কুমিরের সঙ্গে যুদ্ধ করা কি সম্ভব? উত্তরে- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান থেকে শুরু করে যারা কিছু করেছেন তারা সকলেই এর চেয়ে অনেক বিপদসংকুল অবস্থায় থেকে কাজ করেই প্রমান করেছেন – সে সোনার বাংলা সম্ভব। রাঙ্গুনিয়ার আপামর জনতা, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, মুসলিম ভাইয়েরা সম্মিলিতভাবে সন্ত্রাসিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলোঃপোষ্ট্টি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

সম্মন্ধে SNEHASHIS Priya Barua

এটা ও দেখতে পারেন

বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে অসহায় ব্যক্তি

বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে অসহায় ব্যক্তি এবং যিনি মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় নিয়ে ঘুরেন প্রতি মুহুর্তে তার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *