ব্রেকিং নিউজ

🌺🌺🌺একটা জোকস – যদিও বা ঘটানাটা বাস্তবে ঘটেছে ৩য় পর্ব🌼🌼🌼 

আজ পুর্ববর্তী জোকসের উত্তরে ভগবান বুদ্ধ পানি পড়ার পরিবর্তে কি করেছিলেন তাই বলবো এবং ভগবান বুদ্ধ যে নারীকে ভগিনি বলে ও সম্বোধন করেছেন পড়ে দেখুন।✏️✏️✏️
🕵️‍♀️🕵️‍♀️🕵️‍♀️ত্রিপিটকের অন্তর্গত থেরিগাথার পটাচারা যারা পরেছেন সেই নারীর কথা কি মনে আছে যিনি সর্পদর্শনে হারালেন স্বামী, এক শিশুকে হারালেন শ্যেন পক্ষীর কাছে অন্য জন মারা গেলন নদী গর্ভে পতিত হইয়া অতপর জানিলেন শুধু তাই নয় তাহার ভ্রাতা, মাতা ও পিতা গৃহ ভগ্ন হইয়া মৃত্যু বরন করায় চিতায় দগ্ধ হইতেছেন – তাহা জানিয়া তিনি শোকে উন্মাদিনি প্রায় হইলেন, অংগের বসন খসিয়া পড়িতে লাগিল, তিনি তাহাও জানিতে পারিলেন না। কটিসংলগ্ন বস্ত্র চ্যুত হওয়ায় তাহার নাম হইয়াছিল পটাচারা। তথাগত ভগবান বুদ্ধ তাহাকে কেন পানি পড়া দিলেন না সেটাই প্রশ্ন বরং কহিলেন, 🌼🌼🌼“ভগিনি, তুমি স্মৃতি পূনঃ প্রাপ্ত হও” (অনেকে আজকাল দেখি বিভিন্ন বৌদ্ধ ভিক্ষুকে শাসন করেন উনারা আমাদের ভাই-বোন বলতে পারবেন কিনা?)। প্রতুত্তরে তিনি বুদ্ধের নিকট তাহার শোকের কারন ব্যাখ্যা করিলেন। 🥀🥀🥀বুদ্ধ তারপরে ও তাহাকে কেন পানি পড়া দিলেন না বরং তাহাকে এইরুপ শিক্ষা দিলেনঃ
পটাচারা, তোমার হৃত ধনের পুনরুদ্ধার অসম্ভব। সন্তান প্রভৃতির জন্য তুমি যেমন এখন অশ্রুপাত করিতেছ, সেইরূপ পূর্বেও অগণিত জন্মে একই কারণে অশ্রুপাত করিয়াছ। তোমার অশ্রু চারিটি মহাসমুদ্রের একত্রীভুত বারি অপেক্ষাও অধিক।
দুঃখতপ্ত মানুষের অশ্রুর রাশি মহাসমুদ্র চতুষ্টয়ের বারিরাশি অপেক্ষাও অধিক। শোকমগ্ন হইয়া বৃথা কেন জীবন নষ্ট করিতেছ?’
এইরূপ পথে মুক্তি অলভ্য, ভগবানের উপদেশে তাহা অবগত হইয়া সন্তপ্তা জননীর শোকের ভার অপেক্ষাকৃত লঘু হইল। ভগবান পুনরায় কহিলেন, ‘পটাচারা, লোকান্তরে সন্তান সন্ততি, আত্মীয় কুটুম্ব কেহই মানুষকে কোনো প্রকার সাহায্য করণে অক্ষম। এই পৃথিবীতেই তাহারা উহা করিতে অসমর্থ। সেই হেতু, জ্ঞানীমাত্রই বিশুদ্ধ আচারপরায়ণ হইয়া নির্বাণপ্রদায়ী মার্গের অনুশীলন করিবেন।’ শোকাতুরা নারীকে এইরূপ উপদেশ দানান্তে বুদ্ধ কহিলেন :
💐💐💐পুত্র, পিতা, আত্মীয়বর্গ কেহই রক্ষা করিতে সমর্থ নয়। মৃত্যুর গ্রাসে পতিত হইলে রক্তের সম্বন্ধ তোমাকে আশ্রয় দিবে না। এই সত্য অনুধাবন করিয়া প্রাজ্ঞ শীল পালনপূর্বক সত্বরে নির্বাণের পথ পরিস্কৃত করেন।
🌺🌺🌺বুদ্ধের বাক্য সমাপ্ত হইলে পটাচারা ‘স্রোতাপন্ন হইয়া অভিষেকে্র বাসনা করিলে বুদ্ধ তাঁহাকে ভিক্ষুণীদিগের সমীপস্থ করিয়া সংঘভুক্ত করাইলেন। …… কহিলেন, ‘পটাচারা, সর্বজীবই মৃত্যুর অধীন; অতএব এমনভাবে জীবনধারণ করা উচিত যাহাতে পঞ্চস্কন্ধের আবির্ভাব ও তিরোভাব দৃষ্ট হয়। ওই দৃষ্টি লাভ না করিয়া শতবর্ষ বাঁচিয়া থাকা অপেক্ষা উহা লাভ করিয়া মাত্র এক দিন, এক মুহূর্তও জীবন ধারণ শ্রেয়।
💗💗💗যে মানুষ শতবর্ষ জীবিত থাকিয়া বস্তুসমূহের উৎপত্তি ও বিনাশ দেখিতে পায় না, তাহার পক্ষে উহা দেখিয়া মাত্র এক দিন জীবন ধারণও শ্রেয়।’
✍️✍️✍️তবে হা বুদ্ধ ৩১ লোকভুমিকে অস্বীকার করেন নি এবং দেব – ব্রক্ষ- প্রেত কে অস্বীকার করেন নি। পরবর্তী পর্বে পানি পড়ার আরও বিশ্লেষন দেবার চেষ্টা করবো যদি অনুরোধ পাই বুঝবো প্রয়োজন আছে।
🙏🙏🙏সে ভাবেই আহবান করেছি ট্রাডিশনাল বৌদ্ধ না হয়ে বুদ্ধ হবার প্রচেষ্টায় বৌদ্ধ হউন। পোষ্টটি শেয়ার করে ধর্মদান করুন। জগতে্র সকল প্রানী সুখী হউক। 🙏🙏🙏
১ম পর্বের লিঙ্ক https://www.facebook.com/photo.php?fbid=10156934944424302&set=a.10151410980809302&type=3&theater
২য় পর্বের লিঙ্ক https://www.facebook.com/photo.php?fbid=10156935980764302&set=a.10151410980809302&type=3&theater

সম্মন্ধে SNEHASHIS Priya Barua

এটা ও দেখতে পারেন

মেডিটেশান এবং আপনার ব্রেইন

Leave a Reply