ব্রেকিং নিউজ

বুদ্ধের কুশীনারায় মহাপরিনির্বাণের প্রধান তিন কারণ

উজ্জ্বল বড়ুয়া বাসু : রক্তক্ষয়ী এক যুদ্ধ বাঁধতো তথাগতের মহাপরিনির্বাণের পর, কিন্তু বুদ্ধ যে মহাজ্ঞানী ছিলেন তিনি জানতেন এসব। আর তাই নিজের প্রজ্ঞা দিয়ে এই যুদ্ধকে সংগঠিত হতে দেন নাই কুশীনারাকে নিজের মহাপরিনির্বাণের স্থান নির্ধারণ করে। বুদ্ধ মূলতঃ কি কারণে কুশীনারাকে মহাপরিনির্বাণের স্থান হিসেবে বাছাই করেছিলেন সেটা কোথাও স্পষ্ট উল্লেখ নাই।

তবে বুদ্ধের পরিনির্বাণের সময়টাকে বিবেচনাপূর্বক বিশ্লেষণ করলে তিনটি প্রধান কারণ স্পষ্ট হয়ে উঠে- যুদ্ধ এড়ানো, মুক্তিলাভেচ্ছু ব্যক্তিকে মৈত্রীময় করুণা প্রদর্শন এবং মহাসুদর্শন সূত্র দেশনা। অনেকে হয়ত ভাবতে পারেন বিষয়গুলো কাকতালীয়ভাবে ঘটেছে সেক্ষেত্রে বলতে হয় বুদ্ধ তাঁর মহাপরিনির্বাণের তিনমাস পূর্বেই ঘোষণা করেছিলেন কোথায় তিনি দেহত্যাগ করবেন তাই বিষয়গুলো কোন অবস্থাতেই কাকতালীয় হতে পারে না।

মহাজ্ঞানী বুদ্ধ জানতেন যে, তাঁর পরিনির্বাণের পর দাহক্রিয়া শেষে প্রাপ্ত ধাতু নিয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হবে। আটটি নগরের প্রধানগণ

 

পরস্পর পরস্পরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবেন। কারণ এসব রাজাkusi-2 মহারাজা প্রত্যেকেই বুদ্ধের ধাতু পাওয়ার জন্য নিজের জীবন দিতে কুন্ঠাবোধ করতেন না। কিন্তু বুদ্ধ যদি কুশীনারায় পরিনির্বাপিত হন তবে একজন ব্যক্তি আছেন যিনি এই যুদ্ধ থামাতে পারবেন; সেই ব্যক্তি হচ্ছেন দ্রোণ ব্রাহ্মণ। এই ব্রাহ্মণ ছিলেন নামকরা অধ্যাপক। তৎকালীন সময়ে ঐ ভারতবর্ষের প্র্রায় সব রাজা এবং রাজপুত্ররা ছিলেন তার ছাত্র। একমাত্র তিনিই পারবেন এই যুদ্ধ রোধ করতে কারণ ঐ সময়টাতে দ্বিতীয় কোন ব্যক্তি ছিলনা যাকে আটটি দেশের রাজারা মান্য করবেন, যার কথা মন দিয়ে শুনবেন।

বাস্তবেও তাই ঘটেছিল- বুদ্ধের দাহক্রিয়া শেষে তাঁর দেহ থেকে প্রাপ্ত ধাতু সমূহ চুরি হয়ে যাবে বলে মল্লরাজগণ সসৈন্য পাহাড়া বসায় ধাতুসমূহ রক্ষা করতে। এদিকে মগধরাজ অজাতশত্রু, বৈশালীবাসী লিচ্ছবিগণ, কপিলাবাস্তুবাসী শাক্যগণ, অল্লকপ্পকবাসী বুলয়রাজগণ, রামগ্রামের কোলীয়গণ, বেঠদ্বীপবাসী ব্রাহ্মণ, পাবাদেশস্থ মল্লগণ আলাদা আলাদাভাবে দূত সহ বার্তা পাঠায় মল্লদের কাছে বুদ্ধের ধাতুসমূহ তাদেরকে দিয়ে দেওয়ার জন্য। তারা প্রত্যেকেই দূত মারফত পত্র পাঠিয়ে ভাবলেন বুদ্ধের ধাতু ভাল মত দিয়ে দিলে তো ভাল নতুবা যুদ্ধ করে নিয়ে নেবে মল্লবাসীদের কাছ থেকে।

আর পরবর্তীতে সেই লক্ষ্যেই প্রায় একই সময়ে সপ্তনগরবাসী কুশীনগর ঘেরাও করে মল্লরাজগণকে খবর পাঠালেন- হয় ভগবানের ধাতুসমূহ দিন, নয় যুদ্ধ করুন। প্রত্যুত্তরে মল্লরাজগণ বললেন- আমরা তথাগতকে আনতে যাই নাই তিনি নিজেই এখানে এসে আমাদের ডেকেছেন, পরিনির্বাপিত হয়েছেন সুতরাং দেহাবশেষের অধিকার কেবলমাত্র আমাদেরই। এখানে উল্লেখ করতে হয় যুদ্ধ হলে ঐ সপ্ত নগরবাসী এবং মল্লরাজগণ প্রত্যেকেই পরস্পরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে যেতেন কারণ প্রত্যেকেরই চাওয়া একটাই বুদ্ধের দেহাবশেষ। আর এটা পেতে গিয়ে কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতেন না। ফলে পুরো অঞ্চল তখন মৃত্যুপুরীতে রূপ নিত।

 

যাই হোক, ত্রাতা হিসেবে আসলেন সেই দ্রোণ ব্রাহ্মণ। তাদের যুদ্ধের জন্য সাজ সাজ রব দেখে দ্রোণ ব্রাহ্মণ উচ্চস্বরে বললেন- হে রাজন্যবর্গ! আমাদের বুদ্ধ সতত ক্ষান্তিবাদীই ছিলেন। তার অস্থি নিয়ে যুদ্ধ করা কোন অবস্থাতেই কাম্য নয়। তাঁর ধাতু নিয়ে যুদ্ধ করা আর বুদ্ধকে অসম্মান করা একই কথা। তিনিই প্রস্তাব করেন ধাতু নিয়ে যুদ্ধ না করে প্রাপ্ত ধাতু সমূহকে সমান ভাগে ভাগ করে নেওয়ার জন্য সবাইকে। শিক্ষক দ্রোণ ব্রাহ্মণের কথা উপদেশ হিসেবে সবাই গ্রহণ করলেন। ব্রাহ্মণ সবগুলো ধাতুকে আট ভাগে বিভক্ত করে দেন আট নগরবাসীকে।kusi

এদিকে ধাতুগুলো যখন প্রথম স্বর্ণপাত্র থেকে বের করা হয় তখন তা দেখে রাজাগণ বিলাপ শুরু করেন। আর এই ফাঁকে ব্রাহ্মণ বুদ্ধের দক্ষিণের একটি দাঁত (দক্ষিণ দন্ত হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়) নিজের পাগড়ীর মধ্যে লুকিয়ে ফেলেন। দেবরাজ শক্র দিব্যচক্ষু দ্বারা তা অবগত হয়ে ব্রাহ্মণের পাগড়ী থেকে দন্তটি নিয়ে যায় কারণ ব্রাহ্মণ এটির যথাযথ পূজা করতে পারবেন না। যাই হোক, ভাগ করা শেষে ব্রাহ্মণ যখন পাগড়ীতে দাঁতটি পেলেন না তখন খুবই দুঃখিত হলেন। তার চুরির বিষয়টা কেউ জানতনা বলে কারো কাছে জিজ্ঞেসও করতে পারলেন না কে নিয়েছে। অতঃপর যে তুম্বতে(পাত্র) করে ভাগ করেছিলেন সেই তুম্বতে কিছু ভষ্ম লেগেছিল। সেই তুম্বটিই ব্রাহ্মণ চেয়ে নিলেন তাঁদের কাছে। দ্রোণ ব্রাহ্মণ এই যুদ্ধ রোধ করবেন বুদ্ধ এটা জানতেন তাই কুশীনারাকে বেছে নেন এটা প্রথম কারণ।

দ্বিতীয় কারণটি ছিল বুদ্ধের করুণাময় চিত্ত। বুদ্ধ জানতেন যে, যদি কুশীনারায় পরিনির্বাপিত হন তবে পরিনির্বাণের পূর্ব মুহুর্তে সুভদ্র নামে একজন অর্হৎ ফল লাভ করার সুযোগ পাবেন তাই সুভদ্রকে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত না করার জন্য বুদ্ধ কুশীনারাকে বেছে নেন। সুভদ্র ছিলেন একজন পরিব্রাজক। তিনি বুদ্ধের পরিনির্বাণের দিন কুশীনারার অদূরে উড়ুম্বর বনে অবস্থান করছিলেন সেদিন উড়ুম্বর বনে উড়ুম্বর বৃক্ষে অকালে নতুন ফুল ফুটেছে দেখে সুভদ্র ভাবলেন- বুদ্ধের জন্ম, চক্রবর্তী রাজার জন্ম, ধর্মচক্রপ্রবর্তন কিংবা চক্রবর্তী রাজার বিজয় ব্যতীত এই ধরণের ঘটনা ঘটেনা তবে কি আমার গুণ তেজে, পুণ্য প্রভাবে এ ঘটনা ঘটল! এ কথা ভেবে দর্পিত হয়ে উঠলেন।

মূলতঃ সেদিন বুদ্ধের পরিনির্বাণ বলেই বুদ্ধকে পূজা করতে অকালে পুষ্পগুলো ফুটেছিল। যাই হোক, চুন্দ নামে জনৈক অর্হৎ তার দর্প চুর্ণ করে। অন্যদিকে পুষ্প গুলো ম্লান হতে দেখে ভাবলেন- তবে কি আমার পাপের কারনে এসব ঘটছে? বন দেবতা তার এসব ধারণা বুঝতে পেরে তাকে বুদ্ধের পরিনির্বাণের কথা বললেন। এই কথা শুনে সে ভাবল আমি দীর্ঘদিন বুদ্ধের নিকট ধর্ম-বিনয় শিক্ষা গ্রহণ করব ভেবেছি তা হয়ে উঠেনি আজ শেষ সময় আমি এখনি যাবো ভেবে কুশীনারায় উপস্থিত হলেন। কিন্তু আনন্দ তাকে ভেতরে প্রবেশ করতে বাঁধা দিচ্ছে দেখে বুদ্ধ স্বয়ং আনন্দকে বলল- আনন্দ! তাকে আসতে দাও।

অতঃপর সুভদ্র তথাগতকে নিবেদন করলেন- তথাগত! বহুজনের প্রশংসিত সেই সব ব্যক্তিগণ যেমন- পুরণ কশ্যপ, মকখলি গোশাল, অজিত কেশকম্বল….ইত্যাদি তাঁহারা বিমুক্ত হয়েছে কি তাদের প্রচারিত ধর্মমত অনুযায়ী? বুদ্ধ বললেন- সুভদ্র! এসব বাদ দাও আমি যা বলি তা শোন। যে ধর্ম্মবিনয়ে আর্যঅষ্টাঙ্গিক মার্গের উপলব্ধি আছে সেখানে প্রথম শ্রেণীর শ্রমণ(স্রোতাপন্ন), দ্বিতীয় শ্রেণীর শ্রমণ (সকৃদাগামী), তৃতীয় শ্রেণীর শ্রমণ (অনাগামী), চতুর্থ শ্রেণীর শ্রমণ (অর্হত্বফললাভী) আছেন। এখানে দ্বাদশ প্রকার ভিক্ষুর কথা উল্লেখ করে বুদ্ধ বললেন, যতদিন এরা সম্যকরূপে বিহরণ করবেন ততদিন পৃথিবী অর্হৎ শূণ্য হবেনা।

এখানে বিহরণ বলতে নিজে মার্গফললাভী হয়ে অপরকে মার্গফললাভের জন্য উৎসাহ প্রদান, কর্মস্থান প্রদান এক কথায় মুক্তির পথে এগিয়ে চলতে দিক নির্দেশনা প্রদানকেই বুঝানো হয়েছে। সুভদ্র আমার প্রদর্শিত ধর্ম ব্যতীত অন্য কোথাও এই শ্রমণেরা অনুপস্থিত। পূর্ব পূর্ব হতে পারমী পূরণকারী সুভদ্রের জ্ঞান চক্ষু খুলে গেল। তিনি বুদ্ধ, ধর্ম, সংঘের শরণ গ্রহণ করলেন। প্রব্রজ্যা ও উপসম্পদা লাভের প্রার্থনা করলেন। বুদ্ধের নির্দেশে আনন্দ সেখানেই তাকে প্র্রব্রজ্যা দিলেন। অতঃপর বুদ্ধের কাছে কর্মস্থান গ্রহণ করতঃ চংক্রমণ করার সময়েই অর্হত্বফল লাভ করলেন (সাধু, সাধু, সাধু)। সুভদ্রের অর্হত্বফল লাভের সুযোগ করে দেওয়াই ছিল দ্বিতীয় কারণ।

তথাগত কারণ ব্যতীত কোন কিছু করেন না, বলেন না। বুদ্ধ জানতেন যে, তিনি কুশীনারায় পরিনির্বাপিত হতে চাইলে আনন্দ তাকে বাঁধা দিবেন ফলে কুশীনারার মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে তিনি মহাসুদর্শন সূত্র দেশনা করবেন বাস্তবেও তাই ঘটল। আনন্দ বুদ্ধকে বললেন- ভান্তে! ভগবান, এই ক্ষুদ্র, বিষম, শাখা নগরে পরিনির্বাপিত হবেন না। ভান্তে অন্য বহু মহানগর আছে, যথাঃ- চম্পা, রাজগৃহ, শ্রাবস্তী, সাকেত, কৌশাম্বী, বারাণসী ইহাদের মধ্যে যে কোন একটিতে পরিনির্বাপিত হউন। এখানে ক্ষত্রিয়মাহাশাল, ব্রাহ্মণমহাশাল, গৃহপতিমহাশাল তথাগতের প্রতি অতি প্রসন্ন, তারা তথাগতের পূজা করবেন।

তথাগত বললেন-এরূপ বলিও না। হে আনন্দ! আমি এই নগরে অনেকবার মহোৎসাহ সহকারে মহাপরাক্রমের সাথে এসেছি এটা উল্লেখ করে বললেন- হে আনন্দ! পূর্বকালে মহাসুদর্শন নামে এক ধার্ম্মিক রাজচক্রবর্তী রাজা ছিলেন এবং ধর্মানুসারে রাজ্য শাসন করতেন। তিনি ধর্ম্মতঃ চতুর্দিক জয় করেন। আনন্দ! তার সময়ে এই কুশীনারা কুশাবতী নামে রাজধানী ছিল। এই কুশাবতী রাজধানী সমৃদ্ধিশালিনী ও আনন্দময়ী নগরী ছিল। বহুজন এখানে বাস করত, বহু জনাকীর্ণ এবং খাদ্য সামগ্রী ও সুলভ ছিল। কুশাবতী রাজধানী দিবারাত্র দশবিধ শব্দে শব্দায়মান থাকিত। এইভাবে এখানে তথাগত মহাসুদর্শন সূত্র বর্ণনা করেন। এই সূত্র দেশনার জন্য কুশীনারাকে মহাপরিনির্বাণের স্থান হিসেবে বেছে নেওয়া এটাও একটা কারণ ছিল। কারণ অন্য নগরে হলে আনন্দ বাঁধা দিতেন না ফলে কুশীনারার গুণ বর্ণনা স্বরূপ মহাসুদর্শন সূত্রও দেশিত হতো না।

উপরোল্লিখিত তিনটি কারণ বিশ্লেষণ করলে বুদ্ধের সুগভীর প্রজ্ঞা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। সারাটি জীবন যিনি শান্তি সুধা বিলিয়েছেন মানবের কল্যাণে সেখানে তাঁর মহাপ্রয়াণের পর যুদ্ধ বাঁধবে তা তো আশা করা যায় না। দ্রোণ ব্রাহ্মণের কথায়ও তা ফুটে উঠেছে। অন্যদিকে বুদ্ধ যে করুণার্দ্র চিত্তের অধিকারী ছিলেন তা তাঁর জীবনের বিভিন্ন সময়ে ফুটে উঠেছে। দেবদত্ত যে সঙ্ঘভেদ করবে তা বুদ্ধ জানতেন। তারপরও তাকে বুদ্ধের শাসনে দীক্ষা দেওয়ার একমাত্র কারণ এটাই ছিল যে, অন্ততঃ শেষ সময়ে হলেও সে তার ভুল বুঝার সুযোগ পাবে, বুদ্ধকে দূর থেকে বন্দনা করে অনাগত জন্মে প্রত্যেক বুদ্ধ হওয়ার সুযোগ লাভ করবে।

আবার অঙ্গুলীমালকে এই একই ভাবে মুক্তির পথ দেখানোর জন্যই ছুটে গিয়েছিলেন, যেখানে তিনি মাতৃহত্যার মহাপাপ থেকে অঙ্গুলীমালকে রক্ষা করে অর্হত্বফল লাভের সুযোগ করে দিয়েছিলেন । মহাপরিনির্বাণের পূর্বক্ষণেও সেই একই কাজ করলেন সুভদ্রকে দীক্ষা দিয়ে। সুমেধ তাপস জন্মেও বোধিসত্ত্ব চাইলে অর্হত্বফল লাভ করতে পারতেন তার সেই পারমী পূর্ণ ছিল কিন্ত না তিনি তা করেন নি। অসংখ্য লক্ষ কল্প পরিভ্রমণ করেছেন তিনি, তার কারণ আর কিছুই নয় সম্যক সম্বুদ্ধ হয়ে বহুজনের হিতের তরে, বহুজনের সুখের তরে সদ্ধর্ম সুধা বিতরণ করা। মহাপরিনির্বাণের পূর্বাহ্নেও তিনি মহাসুদর্শন সূত্র দেশনা করে সেই সদ্ধর্ম প্রচারকেই অব্যাহত রাখলেন।

মহাকরুণাবান বুদ্ধ যদি কল্প কল্প কাল ধরে পারমী পূরণ করে বুদ্ধত্ব লাভ না করতেন তবে আমরা এই দূর্লভ মুক্তির পথনির্দেশনা হয়তো এই সময়টাতে পেতাম না। আবার পেয়েও আমরা অনেকে হেলায় দিন যাপন করে যাচ্ছি। আমরা জানিনা কখন মৃত্যু আমাদের গ্রাস করবে। আমরা ভাবিনা এই মনুষ্য জীবন হারালে পুণরায় ফিরে পাওয়া কতটা দূর্লভ। তাই আসুন এই দূর্লভ মানব জীবনের সার্থকতা নিরূপনের চেষ্টা করি। মৃত্যু গ্রাস করার পূর্বেই যেন স্বীয় করণীয় কাজ সমাপন করতে পারি।

শীল, সমাধি প্রজ্ঞার সতত অনুশীলন আমাদের জন্মান্তর রোধ করুক এই প্রত্যাশা রইল।

তথ্যউৎসঃ

মহাপরিনিব্বান সুত্তং- রাজগুরু শ্রীধর্ম্মরত্ন মহাস্থবির।

বিশেষ কৃতজ্ঞতা – ভদন্ত প্রজ্ঞেন্দ্রিয় থের, প্রতিষ্ঠাতা সংঘপ্রধান, শ্মশানভূমি ধ্যানচর্চা কেন্দ্র, করইয়ানগর।

লেখক: সরকারী কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ, ঢাকা।

সম্মন্ধে Uzzal Barua Basu

এটা ও দেখতে পারেন

ত্রিপিটক বাংলা অনুবাদের কাজ কি শেষ হয়েছে???

ত্রিপিটক বাংলা অনুবাদের কাজ কি শেষ হয়েছে??? শেষ বলে এড়িয়ে যাবেন না বরং লেখাটা পড়ুন …

Leave a Reply