ব্রেকিং নিউজ
bapy2
bapy2

যা প্রজ্ঞা নয়ঃ উপস্থাপনায় স্নেহাশীষ প্রিয় বড়ুয়া

যা প্রজ্ঞা নয়ঃ অষ্ট্রেলিয়ার পার্থে প্রায় তিনশত লোকের সামনে শ্রধ্যেয় আযান ব্রাম্ম বংশ মহাথেরো বলছেন, ‘আমার একটা স্বীকারোক্তি দেওয়া দরকার, ‘আমি আমার জীবনের যে কয়েকটা সবচেয়ে সুখময় মুহূর্ত কাটিয়েছি তার মধ্যে একটি ছিল, যেখানে আমি অন্য এক ভদ্র লোকের স্ত্রীর সাথে ভালোবাসা করেছি । আমরা পরস্পরকে জড়িয়ে ধরেছি, আদর দিয়েছি, চুমু খেয়েছি ।

তিনি এ কথা বলে কিছু ক্ষন নীরবতা পালন করলে শুনতে পেলেন বিস্ময়ে শ্রোতাদের হতাশজনক দীর্ঘ নিশ্বাস নেয়ার শব্দ। হতবাক হয়ে যাওয়া, মুখে হাত চাপা দেওয়ার অস্ফুট শব্দ – ‘না! না! আজান ব্রাহ্ম হতে পারেন না।’ দীর্ঘদিনের সমর্থকও দরজার দিকে হাঁটা ধরেছেন, আর কখনো ফিরবে্ন না তারা। গৃহীরা ও তো অন্যজনের স্ত্রীর সাথে যায় না। এ যে রীতিমতো ব্যভিচার!

কিছুক্ষন পরে আযান ব্রাহ্ম বংশ মহাথেরো বললেন , সেই মহিলা, হ্যাঁ সেই মহিলাটি ছিল আমার মা। আমি তখন শিশু ছিলাম। এটা সত্যিই তো! সে ছিল অন্যজনের স্ত্রী। আমার বাবার স্ত্রী। আমরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেছিলাম, চুমু খেয়েছিলাম। সেটা ছিল আমার জীবনের একটা সুখী মুহূর্ত ।

উপরোক্ত সত্যি ঘটনায় দেখা গেল, অনেকেই ভান্তে কে তাতক্ষনিকভাবে ভান্তের নীরবতা পর্যন্ত গিয়েই বিচার করে ফেলেছেন এবং রায় ও দিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু ভুলভাবে বিচার করেছেন । যদিও তারা ভান্তের নিজের মুখ থেকেই কথাগুলো শুনেছেন । আর কথাগুলো সুস্পষ্ট ভাবে ও শোনা গেছে । তবুও তারা ভুল সিদ্ধান্তটাকেই গ্রহণ করেছিলেন।

সৌভাগ্যবশত, উপরোক্ত ঘটনায়, ভান্তে, নীরবতা পরবর্তী, তাদের ভুলটা ধরিয়ে দিতে পেরেছেন। কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখবো এভাবে কত ক্ষেত্রে , কতবার, কতবার আমাদের এমন সৌভাগ্য হয় না যেখানে নীরবতা পরবর্তী অবস্থার উদয় হয় না অথচ আমরা সরাসরি এমন সব উপসংহারে পৌঁছে যাই , বিচার করে ফেলি, রায় দিয়ে দেই ???

এটাই সঠিক, বাকি সব ভুল। এভাবে সবকিছু বিচার করাটা প্রজ্ঞা নয়।

সম্মন্ধে vuato2

এটা ও দেখতে পারেন

মেডিটেশান এবং আপনার ব্রেইন

Leave a Reply