ব্রেকিং নিউজ

মৃত্যুর আগে মৃত্যু কেমন জেনে নেয়া(২০১৬তে লেখা)✍️✍️✍️

বৌদ্ধ পরিবারে জন্ম নেয়া কোন এক জনের নির্বান কামনা করায় উনি প্রতিউত্তরে বলেছিলেন আমার এখন ও নির্বান যাওয়ার সময় হয় নি । তাকে প্রশ্ন করি ব্যাপারটা একটু বুঝিয়ে বলবেন কি? তিনি প্রতি উত্তরে বলেছিলেন, আরে ভাই আমার এখন ও মরার সময় হয়নি । বুঝলাম নির্বান বিষয়টি সম্পর্কে উনার ধারনা সঠিক নয় এবং তা আরো অনেকের ক্ষেত্রেই হতে পারে, কিংবা উনি নির্বান বিশ্বাস করেন না । কিন্ত যে মৃত্যুর কথা উনি বলছেন তা সম্পর্কেই বা উনি বা আমরা কতটুকু সচেতন ।

🕵🕵🕵অনেক ক্ষেত্রে শোনা যায় কখন মরো ঠিক নাই , মরার আগে ফুর্তি ফার্তি যা করার করে নাও । কোন ফুরতিতে বেশি সুখ ??? মেডিটেশান করে যে সুখ লাভ করা যায় যে প্রশান্তি লাভ করা যায় বেচে থাকালিন তা কি আর অন্য কিছুতে পাওয়া যায় এ ইহ জীবনে – শ্রধ্যেয় আজান বক্ষ্ম বংশ মহাথেরোকে যা বলতে শুনেছি তার মর্মাথ দাঁড়ায় এমনঃ আমি প্রবজ্যা লাভের আগে আপনাদের মতোই সাধারন গৃহী ছিলাম এবং আপনাদের মতো গৃহী জীবনে আমি অনেক কিছুর ই স্বাদ নিয়েছি এমনকি উল্লেখ না করে পারছি না কামসুখ করে যে সুখ পাওয়া যায় তার থেকে মেডিটেশান করে আমি যে সুখ পেয়েছি তা বুহুগুনে উৎকৃষ্ট এবং সুখদায়ক । যা হোক মূল প্রসংগে ফিরে যাওয়া যাক ।

🔍🔍🔍🔍প্রতি মুহুর্ত ই কি আমরা মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছি না ??? ঊনি যখন আমার সাথে কথা বলছিলেন ঠিক সে মুহুর্তে উনার বা আমার মৃত্যু হতে পারে । মৃত্যুকে এড়িয়ে যাওয়ারতো কোন উপায় ও নেই = জন্মিলে মরিতে হইবে, উদয় হলে বিলয় হবে, প্রিয় সংযোগ হলে প্রিয় বিচ্ছেদ হবে, বিশ্বের উদয় হয়েছে বলে এর বিলয় ও হবে । মৃত্যর সময় অনিশ্চিত, বুড়ো মরতে পারে যুবকের আগে আবার যুবকের মৃত্যু হতে পারে শিশুর আগে, কেউ মরে অসুখে আবার কেউ অসুখ না হয়েই মারা যায় , বিষ যেমন মৃত্যুর কারন হয় ঠিক তেমনি যে খাদ্য আমাদের বাচায় তা ও মৃত্যুর কারন হতে পারে ।

🌹🌹🌹তাই এক জ্ঞানীকে বলতে শুনেছি, “আজ এবং প্রতিদিন আমার জীবনের শেষ দিন হতে পারে, আমাকে, এমন কিছু করতে হবে যাতে জীবনটা অর্থবহ হয়ে উঠে, অন্যদের উপকারে আসে ইত্যাদি “।

✏️✏️✏️মৃত্যুর দুটি ধাপ আছে. প্রথম পর্যায়, ডাক্তারি পরীক্ষায় প্রমাণিত মৃত্যু নামে পরিচিত, যা ঘটে যখন একজন ব্যক্তির হৃদয় স্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়. ২য় পর্যায়টি হচ্ছে জৈবিক মৃত্যু যা ঘটে প্রায় চার থেকে ছয় মিনিট পরে, যখন মস্তিষ্ক কোষ অক্সিজেন এর অভাবে বিকল হয়ে পড়ে ।

❤️❤️❤️প্রথমে দেখা যাক বিজ্ঞান এ বিষয়ে কি বলে যা নিম্ন রুপঃ
মৃত্যু হচ্ছে একটি প্রক্রিয়া. মৃত্যুর অনেক কারণ হতে পারে যাদের মধ্যে একভাগকে বলা যেতে পারে তাত্ক্ষণিক । তবে যে সমস্ত মানুষ জানে তাদের মৃত্যু নিকটবর্তী কোন অসুখের কারনে অথবা বয়সের ভারে তাদের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সাধারন চিহ্ন দেখা যায় যেমন শ্বাস-প্রশ্বাস ধীর হতে থাকে , দুর্বল হৃদস্পন্দন, এবং গায়ের রং পরিবর্তন হতে থাকে কারন রক্ত চাপের পতন হতে থাকে আঙ্গুল ঠান্ডা হতে থাকে, নাড়ির স্পন্দন দুর্বল হতে থাকে, এবং তারপর তার শ্বাস প্রশ্বাস শুরু হয় একটি অনিয়মিত ধারায়।

🖌🖌🖌যখন শ্বাসের গতি ধীর হয় তখন বুঝতে হবে মৃত্যু কাছাকাছি । ডাঃ প্যালেস তার ব্যাখ্যায় বলেন, এ সময় দেখা যায় নিস্বাস নেয়া ও ফেলার মধ্যে সাধারনতঃ ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের একটা বিরতি ঘটে এবং তা দেখে পরিবারের লোকেরা মনে করেন তার মৃত্যু হয়েছে কিন্তু তা নয় এটা মৃত্যু প্রক্রিয়ার একটি স্বাভাবিক অংশ ।

ডাক্তারি পরীক্ষায় প্রমাণিত মৃত্যুর পর ও পুনরুজ্জীবন সম্ভব হতে পারে. কিন্তু এটা জৈবিক মৃত্যুর পর সম্ভব নয় । এখন পর্যন্ত এমতাবস্থায় বিজ্ঞান যা করতে পারে বা ডাক্তাররা যা করেন তা হচ্ছে শরীরকে শীতল করে তার জৈবিক মৃত্যুকে দীর্ঘায়িত করেন তাতে পুনরুজ্জীবনের সম্ভাবনে দেখা দিলে ও দিতে পারে । কারন শরীরকে শীতল পরিবেশে রাখার ফলে বিপাকীয় হার হয় ধীর এবং তাতে অক্সিজেনের ব্যাভহারের প্রয়োজন ও হয় ধীর ।

জৈবিকভাবে মৃত ব্যাক্তির মধ্যে যে পাচটি জিনিসের অভাব ঘটে তা হচ্ছেঃস্পর্শ, গন্ধ, দৃষ্টি, স্বাদ এবং শ্রবণ । উল্লেখিত পাচটির মধ্যে সম্ভবতঃ ক্রমানুসারে শ্রবন শক্তি লোপ পায় সর্বশেষে সম্ভবত বলার অর্থ এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয় নি এখন ও, তবে এটা ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে শ্রবণ ই হচ্ছে সর্বশেষ শক্তি যা জৈবিক মৃত্যুর আগে হারিয়ে যায় । ডাঃ প্যালেস ব্যাখ্যা করে বলেন, তাই যখন মৃত্যু আসন্ন বলে মনে হচ্ছে, আমরা তখন পরিবারের লোকদের কথা বলতে বলি এবং চিন্তাধারা, প্রেম, এবং সমর্থন ভাগ করার জন্য কারণ শেষাবধি বাকি সব শক্তি নিশেষ হয়ে গেলে ও শ্রবন শক্তি থাকে ঠিক জৈবক মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।

🌹🌹🌹মৃত্যুর পরে ও পস্রাব এবং মলত্যাগ করতে পারে । যখন আমরা বেঁচে থাকি, আমাদের মস্তিষ্ক ক্রমাগত সংকেত পাঠায় শরীরের বিভিন্ন অংশকে কি করতে হবে কিন্তু মৃত্যুর সময় এই সংকেত বন্ধ হয়ে যায় এবং আমাদের পেশী বেশিরভাগ শিথিল হয়ে যায় । অতএব এটা আশ্চর্যের বিষয় নয় মৃত্যুর পর পস্রাব বা মলত্যাগ ।

এই বিকার বা পচন প্রক্রিয়ায় শরীরের ব্যাকটেরিয়া , বিশেষ করে আএান্ত, একটি প্রধান ভূমিকা পালন করে । এই ক্ষয় একটি খুব শক্তিশালী স্বতন্ত্র ধরনের গন্ধ উৎপন্ন করে ।

মৃত্যুর পুর্ব মুহুর্তে চোখের সামনে ঝলকানি দিয়ে ওঠা জীবনের ধারণার কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার জন্ম দিতে পারে । মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৩ সনে কৃত একটি গবেষণায় দেখা যায় যে ইঁদুরের মৃত্যুর প্রক্রিয়ায় তাদের হৃদস্পন্দন বন্ধ হওয়ার পর মস্তিষ্কের তরঙ্গ উচ্চ মাত্রায় দেখা দেয় । আবার মৃত্যুর কাছাকাছি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বেচে যাওয়া অনেক রোগি নাকি আলো দেখতে পান এবং মৃত্যু নিকটবর্তী অবস্থার বর্ননা দেন ।

চিত্ত মৃত্যুর পর অব্যাহত থাকতে পারে । মৃত্যুর পরে মনের বা চিত্তের কি হয় সে বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রাপ্তি সামান্য । ২০১৪ সনের একটি গবেষনার কথা উল্লেখ করা যেতে পারে । ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, এবং অস্ট্রিয়ার ২০০০ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বেচে যাওয়া রোগিদের উপর গবেষনা করেন এবং তার মধ্যে ১৪০ জনকে তারা মৃত্যুর কাছাকাছি অবস্থা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করে তার মধ্যে ৩৯ শতাংশ পুনরুজ্জীবনের সময় চিত্তের সচেতনতার কথা উল্লেখ করেছেন । এই ধরনের সচেতনতা শান্তির অনুভুতি ব্যাক্ত করে । এর মধ্যে ১৩ শতাংশ ব্যাক্ত করেন তাদের অনুভুতি যেন শরীরের আওতার বাইরে চলে গেছে বলে মনে হয়েছে বা শরীর থেকে পৃথক হয়ে গেছে । এর মধ্যে মাত্র ২ শতাংশ সম্পুর্ন সচেতনতার কথা উল্লেখ করেন । এই গবেষনার পরিসমাপ্তি ঘটে এই বলে যে আর ও গবেষনার প্রয়োজন রয়েছে ।

এ পর্যন্ত যা বলেছি তা হলো বিজ্ঞান কি বলে ??? এ পর্যন্ত এসে প্রশ্ন পাগল মন আবার ও প্রশ্ন করবে । তাহলে বিজ্ঞান মতে যখন মস্তিস্ক বিকল হয়ে যায় তখন বুঝতে হবে মানুষটি মারা গেছে কারন এটাই তার জৈবিক মৃত্যু ???

☸️☸️☸️যদি তাই হয় তবে কেন পৃথীবিতে দেখা যায় একটি দুটি নয় অনেক মানুষ বেছে আছেন যাদের মস্তিস্ক বিকল তাহলে সেটা কিভাবে সম্ভব ??? বিষয়টি পরিস্কার করার জন্য একটি উদাহরন দেয়া যাক, একটি শিশু জন্ম নিলো Holoprosencephaly ( এক প্রকার বিকল মস্তিস্ক) নিয়ে । অতএব ডাক্তাররা ঘোষনা করলেন, শিশুটির মৃত্যু অনিবার্য এবং শিশুটি এমতাবস্থায় হয়তো নড়াচড়া করতে পারবে , শ্বাস প্রস্বাস নিতে পারবে তবে অন্যান্যদের মতো শরীরের অন্যান্যকে যেহেতু সংকেত পৌছাতে পারবে না অতএব সে অন্যান্য কাজ যেমন কথা বলা ইত্যাদি করতে পারবে না এবং যথা শিঘ্র মৃত্যু বরন করবে । বিজ্ঞানের ভুল ভেংগে দিয়ে এ রকম অনেক শিশু এখন এ পৃথিবিতে বেচে আছে শুধু তাই নয় তাদের মধ্যে একটি শিশু ঠিক দুবছর পরে কথা ও বলা শুরু করেছে । এ রকম হাজারো ঘটনা আছে যেখানে দেখা গেছে দিব্বি সব কাজ করে বেড়াচ্ছেন । তবে এটা কিভাবে সম্ভব ??? হ্যা বিজ্ঞান এখন ও তার ব্যাখ্যা না দিলে ও অভিধর্মে যা পাওয়া যায় তা হচ্ছে তথাকথত আমি হচ্ছে নাম ও রুপ । নাম হল – বেদনা , সংজ্ঞা, সংস্কার ও বিজ্ঞানের সমাহার । রুপ হচ্ছে চার মহাভুত থেকে উৎপন্ন যথাঃ মাটি, পানি, বায়ু ও আগুন এবং বিশ্লেষন প্রকার ভেদে এই চার থেকে ২৪ প্রকার রুপের সমাহার অন্যভাবে ১০ প্রকার রুপের সমাহার বলা হয় । ১০ প্রকার যেমন – ১) চক্ষু, ২)জিব্বহা, ৩)ত্বক, ৪)আকার, ৫)শব্দ, ৬) গন্ধ, ৭)স্বাদ, ৮)নাসিকা ৯)স্পর্শ ১০)কর্ণ ।

নাম রুপকে আশ্রয় করে প্রবর্তিত হয় এবং রুপ নামের প্রবর্তনের মধ্যে প্রকাশ পায় ।

অভিধর্মে মন, বিজ্ঞান ও চিত্ত প্রভৃতি শব্দ সমার্থক । বিজ্ঞান অর্থ বিশেষভাবে জানা , চিত্ত অর্থাৎ চিত্তন বা কোন বিষয়ে চিন্তার মধ্যে জানা, মন অর্থাৎ মনন বা মনের মধ্যে ধারন করা বা বিশেষভাবে জেনে রাখা । চিত্তকে সত্বের অবস্থানের ভুমি বা লোক ভেদে ৮৯ প্রকারে এবং বিস্তারিতভাবে ১২১ প্রকারে বিভক্ত করা হয়েছে । চিত্তের উৎপত্তির সাথে সাথে উহার কতগুলি সহজাত চিত্তবৃত্তি বা চৈতসিক ( চৈতসিকের শব্দার্থ করলে দাঁড়ায় চিত্তের অনুষঙ্গ, চৈতসিক ৫২ প্রকার) একসাথে উদয় হয় এবং এক সাথে নিরোধ হয় ।

যাই হোক তবে কি চিত্ত ও চৈতসিক এর জয় ??? সেই সঙ্গে এ বিষয়ে তিন ধরনের চিত্তের উল্লেখ পাওয়া যায় যেমনঃ ১) পতিসন্ধি চিত্ত (patisandhi-Citta) , ২)ভবাংগ চিত্ত (bhavanga) এবং ৩)চ্যুতি চিত্ত (cuti-Citta) যা বর্তমান পার্থিব জীবনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করন চিত্ত ।

🧘‍♂️🧘‍♂️🧘‍♂️কথা হচ্ছে পরের কথায় বিশ্বাস করা দুস্কর কিন্তু বাস্তবিকভাবে মৃত্যুর আগে মৃত্যুর কাছাকাছি অভিজ্ঞতা কি করে পাওয়া সম্ভব ??? একটি উদাহরন দেয়া যাক যারা গভীর ধ্যানে যখন কেউ নিমগ্ন হন তখন তারা যে আবস্থার সম্মুখীন হন তাতে বলা হয় তাদের কাছে সুখ, বেদনা তথা স্পর্শ, গন্ধ, দৃষ্টি, স্বাদ এবং শ্রবণ ইত্যাদি হারিয়ে যায় । একটি উদাহরন দিয়ে বিষয়টি পরিস্কার করা যাক যা আজান ব্রক্ষ্ম বংশ মহাথেরোর উদৃতি যার মর্মাথ এমনঃ তার এক শিষ্য ঘরে বসে ধ্যান করতে করতে গভীর ধ্যানে নিমগ্ন হলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যাচ্ছে কিন্তু তার কোন নড়ন চড়ন নাই অতএব তার স্ত্রী ভয় পেয়ে গেলেন এবং পরিশেষে এম্বুলেন্স ডাকলেন , এম্বুলেন্স এলো তারা তাকে হসপিটালে নিয়ে গেলো। হসপিটালে তাকে ইসিজি করা হল যাতে হৃদয়স্পন্দন পরীক্ষা করে দেখা হয় শুধু তাই নয় তার ইইজি যাতে ব্রেইন পরীক্ষা করে দেখা হয় কিন্তু যা ফলাফল পাওয়া গেলো তাতে ডাক্তারি মতে বলা হয় মৃত কিন্তু তার কিছুক্ষন পর তিনি যখন তার ধ্যান থেকে বেরিয়ে এলেন তিনি অবাক হয়ে গেলেন তিনি কোথায় তিনি তো বাসায় থাকার কথা (তিনি বুঝতে পারেন নি যে তিনি হসপিটালে শুনে মনে হল তিনি তাহলে শুধুমাত্র গভীর ধ্যান পর্যন্ত নিমগ্ন হয়েছেন কিন্তু অন্যদের মতো কোন মার্গ ফল তখন ও পাননি ??? ) । যাই হোক ধ্যান থেকে বেরিয়ে আসার পর আবার তাকে ইইজি ও ইসিজি করা হল এবং এবারে ফলাফল স্বাবাভিক এবং তিনি হেটে বাড়ী ফেরত গেলেন ।💐💐💐
এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত পঞ্চনিমিত লেখাটি পড়তে পারেন

যাই হোক এ পর্যন্ত এসে মনে হল বিষয়ের আলোচনা আসলে উলটো দিক থেকে শুরু করেছি । কারন বিলয়ের আলোচনার আগে উদয়ের আলোচনা স্বাভাবিক নয় কি ??? মৃত্যুর আলোচনার আগে জন্মের আলোচনা করাটাই ছিল স্বাবাভিক ??? যাই হঊক সংক্ষেপে মাতৃ গর্ভ জন্মের একমাত্র পথ নয়. শিক্ষা থেকে জানা যায় যে, জন্ম চারটি ভিন্ন উপায়ে হতে পারে: ডিম দ্বারা, আর্দ্রতা দ্বারা এবং স্বতঃস্ফূর্ত জন্ম দ্বারা এবং গর্ভ উপায় দ্বারা 🙏🙏🙏

আজ লেখার টাইম আউট বিষয়টির ব্যাখ্যা আরো বিস্তৃত করা গেলে ভালো হত । অতএব পরবর্তীতে আবার দেখা হবে অথবা দেখা নাও হতে পারে সেই সঙ্গে এ লেখা পড়ে যাদের পছন্দ হবে না তাদের যেমন নির্বান সাক্ষাত করার কামনা রইলো ঠিক তেমনি যাদের ভালো লাগবে তাদের জন্য ও এবং যাদের এই দুটোর কোনটাই নয় তাদের জন্য ও রইলো নির্বান কামনা তবে উল্লেখ্য এ সত্বার কাছে নির্বানের সার্টিফিকেট বিক্রি করার মতো কোন সার্টিফিকেট নেই 🙏🙏🙏

সম্মন্ধে vuato2

এটা ও দেখতে পারেন

মেডিটেশান এবং আপনার ব্রেইন

Leave a Reply