ব্রেকিং নিউজ

ধন্যবাদ বিজিবি ও পুলিশ বাহিনীকে দেশের বৌদ্ধদের নতুন একটি ট্রাজেডি থেকে রক্ষা করার জন্য—— গৌতম বুদ্ধ ও বৌদ্ধ ধর্ম এর প্রতিবেদনঃ-

ধন্যবাদ বিজিবি ও পুলিশ বাহিনীকে দেশের বৌদ্ধদের নতুন একটি ট্রাজেডি থেকে রক্ষা করার জন্য——

গৌতম বুদ্ধ ও বৌদ্ধ ধর্ম  এর প্রতিবেদনঃ-
সম্প্রতি আমরা দুঃখের সাথে স্বরণ করলাম রামু হামলার ৪র্থ বর্ষ। এই ঘঠনার কথা মনে পড়লে শিহরে উঠে সকল বৌদ্ধরা। এই বর্বরতার রাতের দুস্বহ শ্রীতি তাড়া করে বেড়াই কাছ থেকে দেখা মানুষ গুলোর মনে। বয়োবৃদ্ধ দের মতে স্বাধীনতা যুদ্ধেও বৌদ্ধদের উপর এই রখম বর্বরতা চালানো হয় নি।

বাংলাদেশের বেশির ভাগ রাখাইন দের বসাবাস টেকনাফে, সেখানে রয়েছে তাদের নিজস্ব আদোলে বৌদ্ধ বিহার সহ আরো অনেক কিছু। সংখ্যা লঘু বলে খুব একটা স্বাধীন ভাবে ব্যবসা,বানিজ্য করতে না পারাটাই স্বাভাবিক বাংলাদেশের জন্য। বিহারের স্থাবর সম্পত্তি, শশ্নান এর পাহাড় কাটা নিয়ে বিরোধ চলমান। স্থানীয় কিছু মুসলিম প্রসাশন এর আদেশ তুয়েক্ষা না করে চালিয়ে যাচ্ছে পাহাড় কাটা সহ সম্পত্তি দখল করে নেবার পায় তারা।

গত ২৬অক্টোবর সন্ধ্যা ৬-৩০মিনিটের সময় টেকনাফের অশোক বিহারের অধ্যক্ষ উ জ্যোতিসারা ভিক্ষু ব্যাক্তিগত/ ধর্মীয় আরাধনায় বিহারের উপরে ব্যাস্থ ছিল,
বিহার পরিচালনা/সেবা কমিটির কেশিয়ারসহ কয়েকজন দায়ক বিহারের উঠানে বসা ছিলেন।

হঠাৎ করে আতঙ্কিতবস্থায় কেশিয়ার উপরে অবস্থানরত বিহার অধ্যক্ষ ভান্তেকে জানালেনঃ “রাস্তা থেকে বাঙ্গালীরা আমাদেরকে গালি গালাজ করছে এবং বিহারে ঢিল মারছে” সাথে সাথে পরিস্থিতি দেখার জন্য ভান্তে বারান্দায় গিয়ে দাড়াতেই, একজন গালি গালাজ দিয়ে বলে লড়াও সবাই। তখন উ জ্যোতিসারা ভিক্ষু দেখতে পায়, বিহারের সামনে রাস্তায় একটা ট্রাক ও তিনটা জীপ গাড়ীতে ( চাঁদের গাড়ী) করে প্রায় ২০০জনের মত সমাগম। কেউ কেউ গাড়ি থেকে নামছে লাঠি সোটা নিয়ে, কেউ কেউ বিহারকে লক্ষ্য করে ঢিল মারছে! তৎখনাৎ বিহার অধ্যক্ষ ভান্তে স্থানীয় থানার ওসিসহ একজন এসআই ও কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের পরিচিত উচ্চ পর্যায়ের কয়েজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং বিজিবি সিও সহ বিজিবি কমান্ডারকে ফোন করে, পরিস্থিতি বর্ণনা এবং নিরাপত্তা প্রদানের জন্য অনুরোধ করেন। ঘঠনা জানার পর ঘটনাস্থলে বিজিবি উপস্থীত হলে আগতরা পালিয়ে যাবার চেষ্টাকালে দুইটা গাড়িসহ প্রায় ৫০/৬০জনকে বিজিবি আটক করতে সক্ষম হন।

তৎখনাৎ ঘটনাস্থলে বিজিবি না পৌঁছালে কিন্তু আজ বড় ধরণের সহিংসতা ঘটার সম্ভাবনা ছিল সেটা বলা বাহুল্য।

অতপর খরব পেয়ে এলাকার ইউপি সদস্য, সাংবাদিক ও জনপ্রতিনীধিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কিছুক্ষণ পর চলে আসেন টেকনাফ পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কমিশনারসহ জনপ্রতিনীধিরা। পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, পুলিশ, বিজিবিদের উপস্থিতিতে কমিশনার সাহেব লিখিতভাবে আগামী শুক্রবার অশোক বিহারের প্রতিনীধিদের উপস্থিতিতে যথাযোগ্য বিচারের অঙ্গীকার করিলে আটককৃত দের ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিহার অধ্যক্ষ ভান্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

অঙ্গীকার নামায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিচার ব্যবস্থা যথাযথ না হলে আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারব।

উ জ্যোতিসারা ভিক্ষু অনুমান মতে আটক কৃতরা বেশীরভাগ রোহিঙ্গা ছিল, কারণ এরা স্পস্ত রাখাইন ভাষায় গালি গালাজ করেছিল। এবং এরা সবাই টেকনাফ সদর এলাকা থেকে আসা। স্থানীয় এলাকা থেকে এদের মধ্যে কেউ ছিলনা সেটা আটকের মধ্য দিয়ে এক প্রকার প্রমাণ হয়েছে

k1 k2 k3

সম্মন্ধে vuato2

এটা ও দেখতে পারেন

বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম দণ্ডায়মান বুদ্ধপ্রতিবিম্বের বুদ্ধাভিষেক ও একক সদ্ধর্মদেশনা অনুষ্ঠান…ত্রিরত্ন সংঘ।।

গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০২০ সাল রোজ শুক্রবার শুভ দিনে ভারত – বাংলা উপমহাদেশের সর্বজন নন্দিত …

Leave a Reply